অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এই অনাথালয় চালাতে গিয়ে তাঁকে একসময় নিদারুণ কষ্ট করতে হয়েছে। এখনো দূর হয়নি সেই কষ্ট। বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির মুখেও তিনি আশ্রম প্রতিষ্ঠা থেকে বিরত হননি। এলাকাছাড়া করার হুমকি আসা সত্ত্বেও তিনি দমে যাননি। পিছপা হননি কর্তব্য থেকে। স্রষ্টার সন্ধান সরাসরি না পেলেও মানবসেবার মধ্য দিয়ে তাকে পাবার যে প্রাণান্ত চেষ্টা তা তিনি করে যাচ্ছেন এবং এতে তিনি তৃপ্ত। মানবসেবার এই ব্রত নিয়ে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চান বলে তিনি জানান। তাঁর ভাষ্যে—‘জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’
‘কিসের করো ভাবনারে মনে
কিসের করো ভাবনা,
টাকা করি জমিদারি
ঘরেতে ঐ সুন্দর নারী
সঙ্গে তো কেউ যাবে না।
ওরে ভাইবেরাদর বন্ধু-বান্ধব
সাথী তো কেউ হবে না।’
রসরাজ সিংহ নামে এক ভবের পাগলের নিকট থেকে ওপরের গানটি শোনার পর যে মানুষটি স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের আশায় বনজঙ্গলে ঘুরে বেড়িয়েছেন, রাত-বিরাতে শ্মশানে থেকেছেন সেই মানুষটি স্রষ্টাকে না পেয়ে মানুষের মধ্যে স্রষ্টাকে পাবার আশায় মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন, তিনি নয়ন যোগী। পুরো নাম নিত্যানন্দ গোস্বামী নয়ন। তবে নয়ন যোগী হিসেইে তিনি সারা দেশে পরিচিত। এই নয়ন যোগী নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় ইউনিয়নে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নয়ন যোগী আশ্রম। এখানে অনাথদের আশ্রয় দেওয়া হয় এবং ভরণপোষণ করা হয়।
নেত্রকোনা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ঘেরা সবুজ বনানীর উপজেলা দুর্গাপুরের চণ্ডীগড়ের কেরনখোলা সড়কের পাশে নাথপাড়া গ্রামে ৩ একর ৩৭ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠা করা হয় এই অনাথালয়সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা আশ্রয়কেন্দ্র, ধর্মীয় জাগরণী শিক্ষাকেন্দ্র এবং বাংলাদেশ মানব সেবা সংঘ, অনিকেত বৃদ্ধালয়, হোমিও দাতব্য চিকিত্সালয়, নারী উন্নয়ন ফ্রি টেইলারিং প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং শ্রী চৈতন্য গ্রন্থাগার। তাঁর প্রতিষ্ঠিত অনাথ আশ্রমে ১১২ জন ছেলেমেয়ে বর্তমানে রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন বয়সের ছেলেমেয়েরাও রয়েছে। সবার জন্য আলাদা আলাদা বসতঘর রয়েছে। এমনকি শিশুদের আশ্রয়কেন্দ্রটিও আলাদা। দুর্গাপুর পৌর শহর থেকে একটু দূরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলছে এ প্রতিষ্ঠান।
নয়ন যোগী একান্ত সাক্ষাতে বলেন, ‘আমি জন্মের এক বছরের মধ্যে মাতৃহারা হই। এ সময় আমি দিদিমার বাড়িতে লালিত পালিত হতে থাকি। ঠিক ৬ বছর বয়সে আমি পিতৃহারা হই। তখন আমার একমাত্র দিদি স্নেহলতাও দিদিমার বাড়িতে চলে আসেন। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় রসরাজ পাগল (রসিক পাগলা) নামে এক পাগল সাধকের সাথে আমার দেখা হয়। তাঁর কথায় আকৃষ্ট হয়ে আমি তাঁর কাছে থেকে যাই এবং গাছতলায় আশ্রয় নিই। তখন আমার মনে এক কথা, স্রষ্টার দর্শন আমাকে পেতে হলে এভাইে সাধনা করতে হবে। খেয়ে না খেয়ে আমার স্রষ্টাদর্শনের সাধনা চলতে লাগল। কিন্তু রসিক পাগল আমাকে আবার আমার দিদিমার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন লেখাপড়া করার জন্য। কিন্তু মেট্রিক পরীক্ষা না দিয়ে আমি আবার গৃহত্যাগী হই। চলে যাই পাহাড়ে বনে জঙ্গলে। শ্মশানে বেশ কয়েক বছর থাকার পর হাজং সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় বিষয়ে হিতোপদেশ দেওয়া শুরু করি। ’
প্রথমে হাজং সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে ধর্মীয় হিতেপোদেশ দিতে শুরু করেন। বেশ কিছুদিন এ কাজ করার পর তিনি চলে যান সিলেটের শ্রী শ্রী অদ্বৈত মহাপ্রভুর জন্মধাম পণতীর্থ মন্দিরে (লোকমুখে প্রচলিত পণাতীর্থ) ভাঙা মন্দির সংস্কার করে তিনি সেখানে প্রায় ৩ বছর গভীর সাধনা করেন বা স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভে ধ্যান করেন। সেখানে ধর্মসভা, পূজাপার্বণ এবং মহোত্সবের আয়োজন করেন।
কিন্তু কিছুতেই তিনি মনে তৃপ্তি পাচ্ছিলেন না। এত কিছুর পরও তিনি করে স্রষ্টার দর্শন বা তাঁর ছায়াও পেলেন না। এ সময় তাঁর মনে হলো—স্রষ্টা আছেন সবার মধ্যে। প্রতিটি জীব যেখানে স্রষ্টা সেখানেই বিরাজমান। যদি মানব সেবা করা যায় তাহলেই স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভ করা যাবে। তিনি মনস্থির করেন, মানব সেবায় ব্রতী হবেন। নিজেকে মানব কল্যাণে নিয়োজিত করবেন।
এ চিন্তা থেকেই তিনি সিলেট জেলা ছেড়ে জামালপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ এবং নেত্রকোনায় স্কুলের দরিদ্র এতিম ছাত্রদের বই কিনে লেখাপড়ার সুযোগ করে দেয়া শুরু করেন। এরপর চলে আসেন নিজ পিতৃভূমি দুর্গাপুরের চণ্ডীগড়ে। সমাজের বঞ্চিত, লঞ্ছিত এবং অবহেলিত মানুষের জন্য নিজের ৩ একর ৩৭ শতাংশ জমিতে গড়ে তোলেন মানবকল্যাণ অনাথালয়। ১৯৯৬ সালের ১১ মার্চ নিজ বাড়িতে এই প্রতিষ্ঠানের পথচলা শুরু হয়। নির্জন প্রায় পরিত্যক্ত এই অনাথালয়ে প্রথমে কেউ আসতে চায়নি বা কাউকে পাওয়া যায়নি। এরপর এর প্রথম সদস্য হন বিরিশিরির সুদীপ্ত পাল এবং অঞ্জনা পাল। তাঁর নিজ গ্রাম থেকে প্রথমে এলেন সজল দেবনাথ। ধীরে এই অনাথালয়ের নাম জানতে পেরে বান্দরবান থেকেও চেউপিয়া চাকমা এবং টুই চেনুন মারমা আসেন। পাঁচ বছরের ছোট্ট শিশুকন্যা রুমি মালাকারকে তার মা এই যোগীর কাছে দিয়ে দেন।
নয়ন যোগী বলেন, এই অনাথালয়ে বর্তমানে ১১২ জন অনাথ রয়েছে। বয়স অনুসারে এতিমদের তিন ভাগে রাখা হয়েছে। বড় মেয়েদের জন্য আলাদা ঘর, বড় ছেলেদের জন্য আলাদা ঘর এবং ছোট শিশুদের জন্য আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশ্রমের প্রতিটি ছেলেমেয়েই সব কাজ তাদের নিজের হাতে করে। রুটিন অনুযায়ী তাদের কাজ ভাগ করা। ঘুম থেকে ওঠা এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত সময়ে লেখাপড়া, বিদ্যালয়ে যাওয়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করা—সবটাই রুটিনের মধ্যে। এখানে শৃঙ্খলার বাহিরে কিছুই হয় না বলে আশ্রমের ছেলেমেয়েরা জানায়।
এই অনাথালয়ের পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম। নয়ন যোগী এই অনাথালয় নিয়ে তাঁর ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে জানান, একে আরো বিস্তৃত এবং কর্মমুখী কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু কাজ করা হয়েছে বলেও জানান। এরমধ্যে রয়েছে—সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কুঠির শিল্প, নারী উন্নয়ন প্রকল্প, ধর্মীয় জাগরণী শিক্ষাকেন্দ্র, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা আশ্রয়কেন্দ্র, সজীব হোমিও দাতব্য চিকিত্সালয়, নারী উন্নয়ন প্রকল্প, মানবকল্যাণকামী অনাথালয়। এই আশ্রমে রয়েছে দূর-দূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীদের থাকার ছোট্ট ব্যবস্থা। ১৫ থেকে ২০ জন সেখানে থাকতে পারেন। এছাড়া, কক্সবাজারে মানবসেবা সংঘ নামে একটি দাতব্য চিকিত্সালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। নারী উন্নয়ন প্রকল্পে সেলাই শিক্ষার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে প্রতি টার্মে ২০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশে যে কাজ হচ্ছে তার সাথে তাল মিলিয়ে তিনি শত শত বেকার ও দরিদ্র যুবকদের জন্য ভোকেশানেল ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের চিন্তাভাবনা করছেন। তাঁর ভাষ্যমতে, দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা অঞ্চলের আদিবাসীদের মাত্র তিন মাস কাজ থাকে, বাকি ৯ মাস এরা বেকার থাকে। এজন্য ওদের নিয়ে তিনি কর্মমুখী কিছু করতে চান।
অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এই অনাথালয় চালাতে গিয়ে তাঁকে একসময় নিদারুণ কষ্ট করতে হয়েছে। এখনো দুর হয়নি সেই কষ্ট। বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির মুখেও তিনি আশ্রম প্রতিষ্ঠা থেকে বিরত হননি। এলাকাছাড়া করার হুমকি আসা সত্ত্বেও তিনি দমে যাননি। পিছপা হননি কর্তব্য থেকে। স্রষ্টার সন্ধান সরাসরি না পেলেও মানবসেবার মধ্য দিয়ে তাকে পাবার যে প্রাণান্ত চেষ্টা তা তিনি করে যাচ্ছেন এবং এতে তিনি তৃপ্ত। মানবসেবার এই ব্রত নিয়ে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চান বলে তিনি জানান। তাঁর ভাষ্যে—‘জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর’। এই মহাবাণীর দ্বারাই আমি উদ্বুদ্ধ হয়েছি। জীবের সেবায় তাই নিজেকে উত্সর্গ করেছি। এতে পরম তৃপ্ত। যার জন্য আমি ঘর ছেড়েছিলাম, এই আশ্রমেই তাকে পাচ্ছি। আমার আর কোনো আক্ষেপ নেই। বাকি জীবনটা এই সেবাব্রত নিয়েই পার করে দিতে চাই।’
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত তাঁর ৩ একর ৩৭ শতাংশ জমি তিনি নিবন্ধন করেছেন এই অনাথালয়ের নামে, ভবিষ্যতে যাতে তাঁর কোনো আত্মীয়-স্বজন বা কোনো ব্যক্তি বেদখল করতে না পারে।
সাপ্তাহিক কার্যক্রম হিসেবে সপ্তাহে দুই দিন—প্রতি শনিবার এবং মঙ্গলবার অনাথালয়ে হোমিও চিকিত্সক ডা. মফিজ উদ্দিন জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এলাকার লোকদের চিকিত্সাসেবা প্রদান করেন। ঔষধ দেওয়া হয় বিনামূল্যে। ৪০ থেকে ৫০ জন রোগীর চিকিত্সাসেবা দেওয়া হয়।
বর্তমানে মূল আশ্রমের পশ্চিম দিকে ৪ তলা বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণকাজ শুরু করলেও অর্থাভাবে সে কাজ বন্ধ হয়ে আছে। নয়ন যোগী জানান, স্বামী পরিত্যক্তা, স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত স্ত্রী বা পুত্রবধূ কর্তৃক নির্যাতিত শাশুড়ি বৃদ্ধাদের এখানে আশ্রয়ের জন্য তিনি এই বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজে হাত দিয়েছিলেন। ভেবেছিলেন, বিভিন্নভাবে এই আশ্রম নির্মাণের জন্য অর্থ সাহায্য পাবেন, কিন্তু তা পাননি। এই অবস্থায় প্রায় দুই বছর যাবত্ বিল্ডিং নির্মাণকাজ বন্ধ। তিনি তাঁর এই বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজ শেষ করার জন্য বর্তমান সরকার-সহ সুধীজনের সহায়তা কামনা করেছেন।
এই আশ্রয় কেন্দ্রে থাকে বান্দরবানের মেয়ে রুমি মালকার। ৫ বছর বয়সে তার মা তাকে নয়ন যোগীর কোলে তুলে দেন। সেই সময় থেকে এই আশ্রমে প্রতিপালিত হয়ে আসছে রুমি। এখানে থেকে পড়াশোনা করে রুমি এখন দুর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। গান, নৃত্য আর অভিনয়ে তিনি সমান পারদর্শী। রুমি প্রতিবেককে বলেন, এই আশ্রমই এখন তার বাড়িঘর। লেখাপড়া শেষ করে বাবার এই আশ্রমে থেকে তিনিও আশ্রিতদের সেবা করবেন। নয়ন যোগীর ছোট দুই সন্তানের কথাও এরকমই। তাঁরাও এই আশ্রমে থেকে অনাথদের সেবাযত্ন করবেন। নয়ন যোগীর অবর্তমানে যাতে এই অশ্রম বন্ধ না হয়, তার সবকিছুই এখন থেকেই ঠিক করা আছে। এই আশ্রম পরিচালনায় নয়ন যোগীর স্ত্রী নিশা রানীও তাঁকে সবসময় সহায়তা দিয়ে আসছেন।
এ অনাথালয় নিয়ে কথা হয় নেত্রকোনা এলাকার সাংসদ, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে।
দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক খান বলেন, নিগৃহীত এবং নির্যাতিতদের জন্য নয়ন যোগীর এই আশ্রমকে সহায়তা করা এলাকার ধনাঢ্য ব্যাক্তিদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সমাজের তার এই অবদান সত্যিই প্রশংসনীয়।
নেত্রকোনা-১ আসনের (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) সংসদ সদস্য ছবি বিশ্বাস জানান, এই আশ্রম তিনি পরিদর্শন করেছেন। বাবু নয়ন যোগীর এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা একটি বড় সাফল্য।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক ড. মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে ব্যক্তি উদ্যোগ খুব কম। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে তো এর কোনো চল নেই। নেত্রকোনার পাহাড়ি উপজেলা দুর্গাপুরের কেরনখোলা গ্রামে নিজের ভূমিতে নয়ন যোগীর এই আশ্রম মানবসেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। নয়ন যোগী তাঁর প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আর্থিক উত্স সম্পর্কে বলেন, ‘আমার প্রবাসী শিষ্যদের নিকট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বেশ কিছুদিন চালিয়েছি। এই আশ্রমের কলেবর বৃদ্ধি হবার পর সরকার থেকে একবার কিছু আর্থিক অনুদান পাওয়া গিয়েছিল। পরে এই সহায়তা কমে যায়। বিদেশি কোনো ফান্ড থেকে তিনি আর্থিক সাহায্য কোনো সময়েই পাননি বলেও জানান।
ইত্তেফাক/আনিসুর