শ্রীবরদীতে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

 
শ্রীবরদী উপজেলার কৃষকরা এবার সরিষার বাম্পার ফলনের আশা করছেন। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নেই কম-বেশি সরিষা আবাদ হচ্ছে। তবে ভেলুয়া, কেকেরচর ও তাতিহাটি ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়েছে।
 
এ দুটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠ হলুদে ছেয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে দু’ চোখ যতদূর যায়, ততদূর হলুদ আর হলুদ। গ্রামের পর গ্রাম সরিষা ফুলের মৌ মৌ গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে।
 
উপজেলায় এবার ৮৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। কৃষি অফিস বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সবচেয়ে বেশি ফলনের আশা করছেন। দীর্ঘদিন ধরেই শেরপুরের শ্রীবরদীর কৃষকরা নিজ উদ্যোগে সরিষা আবাদ করে আসছে। তবে মামদামারী নয়াপাড়ার কৃষক আহসান আলী, নুর আলী, আবুল কাশেমসহ অনেকেরই অভিযোগ, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমরা কোনো সুযোগ-সুবিধা পাওয়া তো দূরের কথা উনারা আমাদের এলাকাতেই আসে না।
 
কৃষক আহসান আলী বলেন, এবার আমি ৪ একর জমিতে সরিষার আবাদ করেছি, সরিষাও ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস যদি সরিষা আবাদে সঠিক পরামর্শ ও অন্যান্য সুবিধা দিত তাহলে আরো বেশি জমিতে আবাদ এবং ফলন বৃদ্ধি করা যেত। এছাড়াও মোরশেদ মিয়া বলেন, সরিষার ন্যায্য দাম পেলে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ত। অনেক কৃষকরাই আশা করছেন ফলন ভালো হলে একর প্রতি ১৫ থেকে ১৮মণ সরিষা উত্পাদন হবে। প্রতি মণ সরিষা মৌসুমের শুরুতে ১হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যাবে।
 
উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ নাজমুল হাছান জানান, আমন আবাদের পর ও বোরো আবাদের আগে পতিত পরে থাকা জমিতে সরিষা আবাদ করে কৃষকরা বাড়তি লাভ করেছে। তবে প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ নাহলে উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলন হবে।
 
ইত্তেফাক/এএম।