ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার নজরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মরিয়মকে (৩৫) জর্ডান পাঠানোর কথা বলে অপহরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে তিন লাখ টাকা চুক্তিতে পাসপোর্টসহ মরিয়মকে রাজধানীর একটি জনশক্তির অফিসের কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার রাতে মরিয়ম বাসায় না ফিরলে এবং মোবাইল ফোন বন্ধ থাকলে মরিয়মের মেয়ের জামাই সোহাগ জিডি করেন। বৃহস্পতিবার মরিয়মের মেয়ে শম্পার মোবাইল ফোনে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার দুপুরে কামরাঙ্গীরচর থেকে অপহরণে জড়িত নারী দালাল কানিজ ফাতেমা লায়লাকে (৪৫) আটক করে। এবং তিনজনকে আসামি করে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় অপহরণ মামলা করা হয় ।
ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের জানান, মরিয়ম অপহরণের সব ক্লু পাওয়া গেছে। রাতের মধ্যেই মরিয়মকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।