চলতি বছরে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হওয়ার চান্স পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছিলেন না মো. সাব্বির হুসাইন। অফিস পিয়ন বাবার পক্ষে ডাক্তারি পড়াশোনার এতো অর্থের খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে সাব্বিরকে দরিদ্র ও মেধাবী কোঠায় ভর্তির সুযোগ দেয় আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজ।
সাব্বির হুসাইন জানান, এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হওয়ার চান্স পেয়েও অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারছিলাম না। একপর্যায়ে জানতে পারি দরিদ্র ও মেধাবী কোঠায় ভর্তির সুযোগ আছে আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজে। কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা আমার পারিবারিক অবস্থা জেনে ও ফলাফল দেখে বিনা খরচে পড়ার সুযোগ করে দেয়। আমি ও আমার পরিবার তাদের কাছে আজীবন ঋণী।
তিনি আরো জানান, পরিবারে অভাব থাকা সত্ত্বেও কখনো পড়ালেখার উপর প্রভাব পড়তে দেইনি। হাফেজি শেষ করে দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করি। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে ডাক্তার হবো। দারিদ্র্য সে পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। সরকারি মেডিকেলে চান্স না পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। অবশেষে আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পেরে স্বপ্নপূরণ হলো।
সাব্বিরের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা গ্রামে। বাবা মো. মহিউল ইসলাম সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজের এমএলএস। তিন ভাই-বোনের মধ্যে বড় বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ছোট বোন ১০ শ্রেণির ছাত্রী।
সাব্বিবের বাবা মহিউল ইসলাম বলেন, অনেক অভাব থাকা সত্ত্বেও তিন ছেলে-মেয়ে পরীক্ষায় ভালো ফল করেছে। বড় মেয়েকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছি। ছেলেকে আদ্-দ্বীন আকিজ মেডিকেল কলেজের কল্যাণে ডাক্তারি পড়াতে পারছি।
ইত্তেফাক/ইউবি