তরুণরাই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছে : মাইক কাজী

কাজী আইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাইক কাজী বলেছেন, পর্যাপ্ত দক্ষ লোকের অভাবের কারণে আমরা অনেক কাজই করতে পারি না। এজন্য আমাদের তরুণ-তরুণীদেরকে প্রশিক্ষিত করতে হবে। আমরা তাদেরকে খুঁজছি। কেননা তরুণরা আমাদের দেশের সম্পদ।
 
ইত্তেফাক অনলাইনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
 
সারাদেশে তরুণ-তরুণীদের জন্য আইটি সেক্টরে ব্যাপক পরিমানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চান মাইক কাজী, সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছেন। তার কথা, দেশে একজন তরুণ-তরুণীও বেকার হিসেবে বসে থাকবে না। দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ। তারা দেশ ও দেশের অর্থনীতিকে অগ্রসরমান করতে ভূমিকা পালন করতে পারে। তার প্রতিষ্ঠানে যে সমস্ত কর্মী রয়েছেন তাদের প্রত্যেকেই দক্ষ। তিনি তার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছেন। আরো তার প্রতিষ্ঠানে দক্ষ কর্মী প্রয়োজন।
 
তিনি বলেন, যারা গ্রাজুয়েশন শেষ করেছে, তাদের বিষয়টি আমরা সবসময়ই প্রাধান্য দিই। আমাদের এইচআর টিম সবসময়ই এবিষয়টি মাথায় রেখেই কাজ করে। আমরা শত শত চাকরি প্রার্থীকে নিয়োগ প্রদান করতে পারি যদি তাদের মাঝে ইংরেজি বিষয়ক দক্ষতা পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। আমাদের কোম্পানিতে প্রচুর পরিমাণে দেশি ও বিদেশি কাজ থাকে সব সময়ই।
 
তরুণদের প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি বলেন,  শুধু সরকারই নয় ব্যক্তিগত পর্যায়েও কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যাতে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়ে যায়।
 
উল্লেখ্য, মাইক কাজীর ব্যবসার শুরুটা ছিলো একটু ভিন্ন রকমভাবে। তিনি যখন যুক্তরাষ্ট্রে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন তখন তিনি ৪০০ ডলার দিয়ে একটি গাড়ি কিনে সেটি ১২০০ ডলারে বিক্রি করেন। এখান থেকেই ব্যবসার প্রতি তার ঝোক বেড়ে যায়। নিজের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বানাতে গিয়ে তিনি মূলত আইটি ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রেই তার প্রতিষ্ঠানে ৭০০ জন মার্কিন নাগরিক কাজ করেন। আর বাংলাদেশে কাজী আইটি ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে। এখানেও প্রচুর পরিমাণে কর্মী কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। আউটসোর্সিংসহ তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরের বিভিন্ন বিষয়েই তার প্রতিষ্ঠান শুরু থেকেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। মাইক কাজী তার কোম্পানিকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হিসেবে দেখতে চান।
 
ইত্তেফাক/ রেজা