আদালতসহ সব জায়গায় নুসরাত জাহান রাফির হত্যা মামলায় বিচার পেতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) আল মাহমুদ ফায়জুল কবীর এ কথা জানান।
শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শন শেষে তিনি নুসরাতের বাড়িতে যান। সেখানে তার বাবা মাওলানা এ কে এম মুছা মিয়া ও তার স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেন।
এসময় নুসরাতের বাবা কমিশনের পরিচালকের কাছে আবেদন করেন যে, তার মেয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন। তিনি নুসরাত জাহান রাফির হত্যায় জড়িতদের কঠিন বিচার দাবি করেন। ভবিষ্যতে নুসরাতের মত আর কোন মেয়ে যেন এই ধরনের নিষ্ঠুর আক্রমণের শিকার না হয় তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য পরিচালকের নিকট অনুরোধ করেন।
আরো পড়ুন: যৌন হয়রানির ঘটনাকে নাটক বানাতে চেয়েছিলেন ওসি
একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে মাওলানা এ কে এম মুছা মিয়া মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সার্বক্ষণিক তাদের বাড়িতে গিয়ে সান্ত্বনা ও সাহস দিচ্ছেন।
এদিকে এই হত্যা মামলার আসামি কাউন্সিলর মুকসুদ আলমকে ঢাকা থেকে, নুর উদ্দিনকে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে এবং জাবেরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপরদিকে এই হত্যার ঘটনায় সোনাগাজী এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ