মির্জাপুরে বারই খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

বিধি নিষেধ অমান্য করে ভারী যানবাহন চলাচল করায় যে কোন সময় ভেঙে পড়তে পারে মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দক্ষিণ পাশের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

শুক্রবার ব্রিজটি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীবাহী বাস ছাড়াও মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল করছে।

মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সংলগ্ন লৌহজং নদীর শাখা বারই খালের উপর প্রায় একশ মিটার এই ব্রিজটি নির্মিত হয়। মহাসড়ক থেকে ব্রিজটি উঁচু হওয়ায় জনসাধারণের চলাচলও বেশ সমস্যা বলে জানা গেছে। এদিকে দীর্ঘ দিন ধরে মেরামত না করায় ব্রিজটির দিন দিন করুণ অবস্থা হয়ে পড়ে। ব্রিজটির দুই পাশে মাটি না থাকায় উপরের রেলিং ভেঙে পড়েছে।

মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয়, বিদ্যালয়, কলেজ ও মির্জাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মাঝে মধ্যে কিছু কিছু মেরামত কাজ করলেও একটু বৃষ্টি হলেই ব্রিজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। এছাড়া ব্রিজের ভাঙা অংশগুলোও স্থায়ীভাবে মেরামত না করায় দিন দিন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী অফিসে যোগাযোগ করে জানা যায়, ব্রিজটি পুরাতন হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ব্রিজটি ভেঙে নিচু করে নির্মাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পত্র পাঠানো হয়েছে। কিন্তু বরাদ্দ না আসায় ব্রিজটি ভেঙে ফেলাসহ কাজ করা যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন, উপজেলা চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু ও পৌরসভার মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমন বলেন, মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের দক্ষিণ পাশের বারই খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ভেঙে ফেলে নতুন একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ করা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু