পিরোজপুর মঠবাড়িয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই এক শিক্ষার্থী জিপিএ ৪.৬৭ পেয়ে পাস করেছে। অন্যদিকে অপর এক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও রেজাল্টে অনুপস্থিত দেখানোর তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সারা দেশে একযোগে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে উপজেলার ৫৭ নম্বর আন্ধারমানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মনি আক্তার (রোল নম্বর ১৮০৫) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই জিপিএ ৪.৬৭ পেয়ে পাস করেছে। অপরদিকে ৫০ নম্বর আংগুলকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়াল জমাদ্দার নামে এক শিক্ষার্থী (রোল নম্বর ১৭০৫) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও তাকে অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে। সে স্থানীয় কেএম লতীফ ইনস্টিটিউশনে ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে রেজাল্ট শিট না থাকায় ভর্তি হতে পারছে না। ফলে বিপাকে পরেছে ওই শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
আংগুলকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহামুদা বেগম ও কেন্দ্র সচিব আন্ধারমানিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী হায়দার সোহেল বিষয়টি স্বীকার করেছে।
এ বিষয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন বলেন, বিষয়টি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ঘটেছে। ভুল সংশোধনের জন্য চেষ্টা চলছে।
ইত্তেফাক/ইউবি