টাকা আত্মসাৎ : বায়োনিক সি ফুডের মালিক কারাগারে

 
রূপালী ব্যাংক করপোরেট শাখা থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় খুলনার বিশিষ্ট মাছ রপ্তানিকারক ও বায়োনিক সি ফুডের মালিক এম এ সাত্তারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। 
 
উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন শেষে রবিবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় বিশেষ আদালতে হাজির হলে বিচারক আব্দুস সালাম শুনানি শেষে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এমএ সাত্তার খুলনার মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান বায়োনিক সি ফুডস এক্সপোর্টার্স লিমিটেড এবং নগরীর গরীব নেওয়াজ ক্লিনিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। 
 
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র জানায়, বায়োনিক সি ফুডের মালিক এম এ সাত্তার (আব্দুস সাত্তার)  রূপালী ব্যাংক খুলনা করপোরেট শাখা থেকে ব্যাংকের তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুর রহমানের সঙ্গে যোগসাজশ করে কোম্পানির মাছ কেনার জন্য ৬ কোটি ৭৯ লাখ ২৬ হাজার ৭শ’ টাকার ঋণ নেন। এর মধ্যে ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৪৮ হাজার ৬৯০ টাকা উত্তোলন করা হয়। দীর্ঘদিনেও তিনি উক্ত ঋণ পরিশোধ না করে সেই টাকা আত্মসাৎ করেন। এ ঘটনায় খুলনা জেলা দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে  গত বছরের ২৯ আগস্ট বায়োনিক সি ফুডের মালিক আব্দুস সাত্তার ও রূপালী ব্যাংক খুলনা করপোরেট শাখার তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় বায়োনিক সি ফুডের মালিক আব্দুস সাত্তার ও রূপালী ব্যাংকের তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুর রহমান জামিনে ছিলেন। অন্তর্বর্তীকালীন জামিন শেষ হওয়ায় রবিবার দুপুরে বায়োনিক সি ফুডের মালিক আব্দুস সাত্তার খুলনা বিভাগীয় বিশেষ আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। বিচারক আব্দুস সালাম শুনানি শেষে জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে অপর আসামি ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান আদালতে হাজির হননি। 
 
আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন পিপি অ্যাডভোকেট খন্দকার মুজিবর রহমান। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারীসহ ২০ জন আইনজীবী।
 
ইত্তেফাক/ইউবি