মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চার যুবলীগ কর্মীর জামিন বাতিল করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ এর আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
গত বছরের ২১ নভেম্বর সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী বিপ্লব দাসকে কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষ যুবলীগের কয়েকজন কর্মী। এ ঘটনায় বিপ্লবের ভাই প্রকাশ দাস বাদী হয়ে ৭জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত দুজনকে আসামি করে সাটুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এদের মধ্যে ১ নাম্বার আসামি শিমুল ছাড়া বাকি ছয়জন হাইকোর্ট থেকে তিন সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। মঙ্গলবার তাদের নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার শেষ দিন ছিল।
এদের মধ্যে আরিফ, জাকির, রহমান ও ফারুকের জামিন আবেদন বাতিল করে জেল হাজাতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। অপর দুজন আনোয়ার ও সুমনকে জামিন দেয়া হয়। শিমুল পলাতক রয়েছেন। তিনি মামলার এক নম্বর আসামি।
আহত বিপ্লব দাসের ছোট ভাই প্রকাশ চন্দ্র দাস জানান, বালিয়াটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক মীর সোহেল চৌধুরীর মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। আমার ভাই মীর সোহেলের গ্রুপে রাজনীতি করেন।
এতে ক্ষুব্দ হয়ে রুহুল আমিন তার ভাতিজা শিমুল, ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ও যুবলীগের সক্রিয় নেতা আবদুর রহমান, ফারুক হোসন, আনোয়ার, সুমন, আরিফসহ আরও কয়েকজনকে দিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করে।
বালিয়াটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন জানান, কে বা কারা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে যুবলীগ কর্মী বিপ্লব দাসকে মারধর করেছে, এ ঘটনার সাথে আমার ভাতিজাসহ আমার কোন কর্মী জড়িত ছিল না।
ইত্তেফাক/আরকেজি