আগামী শুক্রবার থেকে টঙ্গীতে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। ইজতেমায় অংশ নিতে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে মুসল্লিবাহী শতশত দুরপাল্লার বাস। আজ বুধবার দুপুরের পর থেকে ছাড়তে শুরু করে। সন্ধ্যা নাগাদ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় মহাসড়কে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকশ ইজতেমার বাস আটকে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান আটকে আছে আরো শতাধিক।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয় জানায়, কয়েকদিন কুয়াশা জনিত কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলেও বুধবার থেকে কুয়াশার সমস্যা অনেকটা কেটে গেছে। ফলে ফেরি বন্ধ না হওয়ায় সকাল থেকে নৌপথে স্বাভাবিক যানবাহন পারাপার হতে থাকে। ঘাট এলাকাতেও তেমন যানবাহনের চাপ ছিল না। কিন্তু আগামীকাল শুক্রবার টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে দুপুরের পর হতে দক্ষিণাঞ্চল হতে একযোগে শতশত মুসল্লিবাহী বাস আসতে থাকায় স্বাভাবিক পারাপার ব্যাহত হয়।
যানবাহনের বাড়তি চাপে দীর্ঘক্ষণ ঘাটে ফেরির জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কিছুটা দুর্ভোগে পড়েন। তবে দৌলতদিয়া ঘাটের বাড়তি চাপ সামাল দিতে পাটুরিয়া ঘাট হতে ফেরিগুলো পরিপূর্ণ লোডের অপেক্ষায় না রেখে দ্রুত ছেড়ে আসার নির্দেশ দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়ার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, এই রুটে ১৬টি ফেরির মধ্যে একটি বড় ফেরি বেশ কিছুদিন ধরে বিকল থাকলেও বাকি ১৫টি ফেরি সচল আছে। নতুন করে কুয়াশায় ফেরি বন্ধ না হলেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা মুসল্লিবাহী গণপরিবহন ঘাটে আসতে শুরু করায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তবে ফেরিগুলো নিয়মিত চললে ইজতেমাগামী বাসগুলোকে তেমন একটা অপেক্ষা করতে হবে না।
বিআইডব্লিউটিসি পাটুরিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মহিউদ্দিন রাসেল জানান, পাটুরিয়ায় যানবাহনের তেমন কোনো চাপ নেই। তারপরও ইজতেমাগামী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কথা চিন্তা করে তারা ফেরিগুলোকে পরিপূর্ণ লোডের অপেক্ষায় না রেখে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে দিচ্ছে।
ইত্তেফাক/কেকে