এটা বিজয়ের গল্প, যে গল্পের কথাগুলো অনেকগুলো ধর্ষিতা নারীর কোনো একজনকে সাহসী বাঁচার অধিকার ফিরিয়ে দেয়, ফিরিয়ে দেয় সম্মান। পূর্ণিমা শীল হয়তো এবার তার মতোই আরো অনেক নির্যাতিতার গল্প বলার সাহস পাবেন। তারানা হালিমের মতো নেতাদের কথাও থাকবে সেসব গল্পের পরতে পরতে।
সিরাজগঞ্জে ২০১১ সালে গণ-ধর্ষণের শিকার হওয়া পূর্ণিমা শীলকে নিজের ‘পার্সোনাল অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। পূর্ণিমা শীলের চাকরির বিষয়ে ফেসবুকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম লিখেছেন, ‘মনে পড়ে সেই পূর্ণিমাকে? ২০০১ এর ১ অক্টোবর নির্বাচন-পরবর্তী বিএনপি-জামাতের পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল ১৪ বছরের মেয়েটি।
IMG0
হ্যাঁ, আমি সিরাজগঞ্জের সেই পূর্ণিমা শীলের কথা বলছি। আজ আমি গর্বিত, আমি পূর্ণিমাকে আমার ‘পার্সোনাল অফিসার’ হিসাবে নিয়োগ দিলাম। পূর্ণিমা, তোমাকে আমরা ভুলে যাইনি। জীবনের অন্ধকার রূপ তুমি দেখেছো, আলোর জগতে তোমায় স্বাগতম। শুরু হোক নতুন পথচলা। তোমাকে অভিবাদন প্রিয় পূর্ণিমা।’
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে ১৩ বছর বয়সে গণ-ধর্ষণের শিকার হন পূর্ণিমা শীল। ঐ ঘটনার দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে উঠে এখন জীবনকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন পূর্ণিমা।
ইত্তেফাক/সেতু