আলমডাঙ্গায় অতিরিক্ত আইজি সফিকুল ইসলামের মাদক বন্ধে নির্দেশনা

'মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে একটি এলাকা বা দেশকে বাঁচাতে হলে শুধুমাত্র পুলিশের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে মাদক কখনই বন্ধ হবে না। এটা বন্ধ করতে সব শ্রেণি পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক বন্ধে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। কারন মাদক নিম্ন পর্যায় থেকে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের মানুষের ভেতর ঢুকে গেছে।' মাদকই এখন দেশের এক নং সমস্যা চিহ্নিত করে ওপরের কথাগুলো বলেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজি সফিকুল ইসলাম।

গত ৮ জানুয়ারি সর্বোচ্চ পদক বিপিএম প্রাপ্ত এই পুলিশ অফিসার গত বুধবার বিকেলে পারিবারিক কাজে দুইদিনের ছুটিতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বাড়িতে আসেন। তিনি ইত্তেফাকের এই প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে মাদক নিয়ে বিস্তারিত খোলামেলা কথা বলেন।

তিনি বলেন, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারকে মাদক বন্ধে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্ত একা পুলিশের পক্ষে মাদক বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ জন্যে সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সবাইকে নিয়ে সাামজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তিনি অকপটে সত্য প্রকাশ করে বলেন, আমরা দুই টার্ম পুলিশ নিয়োগে ডোপ টেস্ট নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দেখতে পেয়েছি, টেস্টের দিন নিয়োগ পাওয়া অনেক পুলিশ সদস্য হাজির হয়নি। কারন তারা মাদক টেস্টে ধরা পড়ার ভয়ে উপস্থিত হয়নি।
তিনি আরো বলেন, দেশের সব সেক্টরে মাদক নামক মরণ নেশা ছড়িয়ে পড়েছে। এটাকে বন্ধ না করতে পারলে আগামীতে দেশ মহা সংকটে পড়বে। এই সংকট থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আলমডাঙ্গা পুলিশের মাদক নিয়ন্ত্রনে ভুমিকা রাখার জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ খানের প্রসংশা করেন। তিনি মাদক বন্ধে সবাইকে নিয়ে পুলিশের ক্যাম্পিং করার পরামর্শ দেন। মাদক বন্ধে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে সাামজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

ইত্তেফাক/নূহু