শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে ভারত থেকে বয়ে আসা সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না। স্থানীয় আদিবাসী, এলাকাবাসী ও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে শেরপুরের জেলা প্রশাসক সহ স্থানীয় প্রশাসনকে অবগত করলেও বালু উত্তোলন থেমে নেই।
জানা যায়, ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতাকর্মীদের নাম ভাঙ্গিয়ে স্থানীয় বালু দস্যুরা আবার সোমেশ্বরী নদীতে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের মহাউৎসব চালিয়ে যাচ্ছে। গত কিছুদিন পূর্বে আদিবাসীরা বালু উত্তোলন বন্ধে শ্রীবরদীতে মানববন্ধন করলে। নড়েচড়ে বসে শ্রীবরদী উপজেলা প্রশাসন। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেও ৩/৪ দিন পর থেকেই আবার রাতের আধারে বালু উত্তোলন শুরু করে বালু দস্যুরা।
গত কয়েকদিন আগে 'দৈনিক ইত্তেফাক' পত্রিকায় শ্রীবরদী সীমান্তের নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হলে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন এর নির্দেশে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে ঢেউপা নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি ড্রেজার মেশিন আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিলে সাময়িকভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়। কিন্তু রাণীশিমূল ইউনিয়নের বালিজুড়ী সীমান্তের সোমেশ্বরী নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধ করা আজও সম্ভব হচ্ছে না। এখন আরও বেশি শক্তিশালী ড্রেজার মেশিন বসিয়ে রাত-দিন বালু উত্তোলন করছে।
ইত্তেফাক/এসএস