হজ যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা, টাকা আত্মসাৎ ও বিড়ম্বনা-ভোগান্তিতে ফেলার অভিযোগে ১৪০টি হজ এজেন্সিকে শো-কজ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। তাদের বিরুদ্ধে হজযাত্রীদের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। প্রতারণা ও অনিয়মসহ অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এরমধ্যে ৭ হজ এজেন্সিকে তলব করে গত ১৭ জানুয়ারি চিঠি দিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (হজ) এসএম মনিরুজ্জামান। সেগুলো হলো, কাশেম ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস, এএসএ অ্যাভিয়েশন, এমসিও ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, মাসুম এয়ার ট্রাভেলস, সাদমান ট্রাভেলস, মেসার্স লায়লাতুল কদর ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস ও কে কালাম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুর।
২৩ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে তদন্ত কমিটির সামনে এই সাত এজেন্সিকে হাজির হতে বলা হয়েছে ওই চিঠিতে। এ ছাড়া সৌদি আরবে যথাসময়ে মোয়াল্লেম ফি পরিশোধ না করার বিষয়ে জানতে মেসফালাহ ট্রাভেল কর্তৃপক্ষকে ২২ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে হাজির হতে চিঠি দেয়া হয়েছে। পযায়ক্রমে অন্যদের ডাকা হবে। ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ১৪০ এজেন্সিকে কারণ দর্শাও চিঠির জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জানান, ২০১৮ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে বৈধ এজেন্সিগুলোর তালিকা প্রকাশিত হবে। আর হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে, চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
ইত্তেফাক/ইউবি