বগুড়ার কামরুন্নাহার লাকী হত্যা মামলায় নিন্ম আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নিহতের স্বামী রফিকুল ইসলাম বুলবুলকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মারুফা আক্তার শিউলী।
মনিরুজ্জামান রুবেল সাংবাদিকদের জানান, লাকী মারা যাওয়ার পরপরই সিঙ্গাপুর পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় ও তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়। তাদের ওই প্রতিবেদন ইন্টারপোলের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, হত্যার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। আত্মহত্যা বলে প্রতীয়মান হয়। হাইকোর্ট সিঙ্গাপুর পুলিশের ওই তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্বাস করে আসামিকে খালাস দিয়েছেন।
১৯৯৮ সালের ১৭ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে মারা যান লাকী। পরদিন দেশে লাশ আসে। এর পর ১৯ নভেম্বর বগুড়া থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়। এরও প্রায় একবছর পর ১৯৯৯ সালের ২৬ আগস্ট বুলবুলের বিরুদ্ধে বগুড়া থানায় হত্যা মামলা করেন লাকীর মা। মামলায় বলা হয়, যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে ১২ তলা ভবন থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বিচার শেষে ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর বুলবুলকে ফাঁসি দেয়। লাকীর মা ৮০ বছরের বৃদ্ধা জহুরা হায়দার বলেন, মেয়েকে হারিয়েছি। এখন তার হত্যার বিচার পেলাম না।