চরভদ্রাসন উপজেলার এমপিডাঙ্গী গ্রামে নতুন করে পদ্মা নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে। আর তাই ভাঙন এলাকায় কার্গো জাতীয় ভারি নৌযান নোঙ্গর না করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
সম্প্রতি ওই এলাকায় কার্গো নোঙ্গর করে পণ্য খালাস ও বিআইডব্লিউটিএ’র চলমান ড্রেজিংয়ের কয়েকদিন পর নদী ভাঙন শুরু হয়। নতুন করে ওই এলাকায় নদী ভাঙনের ফলে ফসলি জমির পাশাপাশি গত বছর সরকারিভাবে ভাঙন রোধে অস্থায়ীভাবে ফেলা জিও ব্যাগের বাঁধের অনেকাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে পাকা সড়কের সামনে চলে এসেছে নদী। সম্প্রতি শুষ্ক মৌসুমে নতুন করে নদী ভাঙন দেখা দিলে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া ভাঙনের কারণ ও তা রোধে করণীয় বিষয়ে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন নাহার ও তার সংশ্লিষ্ট টিম এবং পাউবো’র উপবিভাগীয় প্রোকৌশলী একেএম জহিরুল হককে তদন্তে পাঠান। গত বৃহস্পতিবার বিকালে সরজমিনে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও তদন্ত শেষে ভাঙনের কারণ হিসেবে নদীতে বিআইডব্লিউটিএ’র চলমান ড্রেজিং, কার্গো জাতীয় ভারি নৌযান চলাচল ও পানির গভীরতাকে শনাক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা নদীর পাড়ে নোঙ্গর করে রাখা কার্গো দ্রুত অন্যত্র সড়িয়ে নেয়ার পাশাপাশি ভাঙ্গন এলাকায় কোনো ভারি নৌযান নোঙ্গর না করতে নির্দেশ দেন।
ফরিদপুর পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, যেখানে ‘ঘাট’ না সেখানে সম্প্রতি জেলার সিএন্ডবি ঘাটের মালাবাহী কার্গো নোঙ্গর করা ও সেই পণ্য ভাঙন কবলিত নদীর পারে শত শত ট্রাকে করে আনলোড করার পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ’র চলমান ড্রেজিংয়ের ফলে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, যেহেতু এমপিডাঙ্গী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়টি প্রি-একনেকে আছে সেহেতু বর্তমানে ভাঙন রোধে নতুন করে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব না।
ইত্তেফাক/নূহু