ঝালকাঠিতে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের প্রথম কন্যা উৎসব। প্রধান অতিথি হিসেবে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন ঝালকাঠির কৃতী সন্তান শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।
এ জেলার কন্যারা দুপুর থেকেই ঝালকাঠি সরকারি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অায়োজিত উৎসবে আসতে শুরু করে। তাদের এই উৎসব শেষ পর্যন্ত মিলন মেলায় পরিণত হয়।
ছাত্রী জীবনের বান্ধবীদের পেয়ে এক দিকে আবেগ আপ্লুত অন্যদিকে আনন্দে মেতে উঠে তারা। বাকিটুকু মাতিয়ে তোলেন শিল্পী মমতাজ বেগম।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২ হাজার কন্যা এই উৎসবে অংশ নিয়েছেন। কন্যা উৎসবের উদ্যোগ নেয়া ঝালকাঠির পাঁচ কন্যারা হলেন, জেলা পরিষদ সদস্য সরকার দলীয় নেত্রী শারমীন মৌসুমী কেকা, সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, পৌর কাউন্সিলর নাসিমা কামাল, প্রধান শিক্ষিকা আফরিন জাহান ও শিমুল সুলতানা হ্যাপি।
প্রধান অতিথি আমির হোসেন আমু বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে একটি গোষ্ঠী নারীদের পিছিয়ে রাখতে চেয়ে ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নারীদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেছে। ধর্মের দোহাই দিয়ে আর নারীদের পিছনে রাখা যাবে না। দেশকে সামনে নিয়ে যেতে হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও অবদান রাখতে হবে।
সভাপতি বক্তব্যে কন্যা উৎসবের আহ্বায়ক শারমীন মৌসূমী কেকা বলেন, এটি আমাদের একটি স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করে আমাদের উৎসবকে বানচাল করতে চেয়ে ছিল। তারপরেও আমরা সফল হয়েছি। কোন ষড়যন্ত্রই আমাদের রুখতে পারেনি। এ উৎসব ঝালকাঠিতে প্রতি বছরই করা হবে।
কন্যা উৎসবের আহ্বায়ক জেলা পরিষদ সদস্য শারমীন মৌসুমী কেকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক, পুলিশ সুপার মো. জোবায়দুর রহমান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহআলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির ও পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার।
ইত্তেফাক/আরকেজি