ধুনট উপজেলায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১০ আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ধুনট শহরের কলাপট্রি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ধুনট এনইউ পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন স্থগিতাদেশ পেয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে প্রার্থীরা। এসময় বিক্ষোভকারীদের হাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি টিআইএম নুরুন্নবী তারিকের ভাগ্নে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসান খসরু লাঞ্ছিত হয়েছেন।
এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির উদ্যোগে প্রতিবাদ কর্মসূচির আহ্বান করা হয়। সোমবার বিকেল ৪টায় ধুনট শহরের উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির নেতৃত্বে তার বাসার সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে কলাপট্টি এলাকায় জমায়েত হন নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি টিআইএম নুরুন্নবী তারিক বক্তব্য দেয়ার সময় অপর পক্ষের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।
প্রায় ২০ মিনিট প্রধান সড়কে দু’পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। তা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে এসআই খোকন কুমার কুণ্ডু ও এসআই আব্দুল আজিজ আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে শামীম হোসেন, হাসান খসরু, সজল হোসেন, মিলন রহমান ও লিটন মাহমুদসহ ১০জন আহত হয়েছেন।
নুরুন্নবী তারিক বলেন, আওয়ামী লীগের এক পক্ষের লোকজন শুক্রবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে আমার প্রাইভেটকার ভাংচুরের চেষ্টা করে। এছাড়া রবিবার সকালের দিকে আমার ভাগ্নে হাসান খসরুকে লাঞ্ছিত করেছে। এ সব ঘটনার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ ভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় তারা বিক্ষোভ সমাবেশের উপর হামলা চালিয়েছে।
ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেছেন, সংবাদ পেয়ে আগে থেকেই শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছিল। তারপরও আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ইটপাটকেলের আঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি।
ইত্তেফাক/আরকেজি