উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি দেশের শরণার্থীদের প্রবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখন থেকে এসব দেশের শরণার্থীদের আরো কঠোর যাচাই-বাছাই ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থেই এটা করা হচ্ছে। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সোমবার ওয়াশিংটনের এক অনুষ্ঠানে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের সেক্রেটারি কার্স্টজেন নিয়েলসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কারা প্রবেশ করছে তা নিশ্চিত হওয়া খুবই জরুরি। এক্ষেত্রে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি দুষ্কৃতকারীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থীর সুবিধা নেওয়া কঠিন করে তুলবে। মিশর, ইরান, ইরাক, লিবিয়া, মালি, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, ইয়েমেন এবং উত্তর কোরিয়া থেকে শরণার্থীদের প্রবেশে সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে ৯০ দিনের পর্যালোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত এসেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গত অক্টোবর থেকে এই পর্যালোচনার কাজ করেছে।
IMG0
গত বছর দশটি মুসলিম দেশ ও উত্তর কোরিয়াকে শরণার্থীদের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ট্রাম্প প্রশাসন। গত তিন বছরে এই দেশগুলো থেকেই ৪০ শতাংশ শরণার্থী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর দেশটিতে প্রবেশ করা শরণার্থীর সংখ্যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেকটাই কমে যায়। তবে এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ