ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় স্বামীর পিটুনিতে লায়লা আক্তার নামে তিন সন্তানের মা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. ফিরোজকে গ্রেফতার করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার পাড়াগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত লায়লা (৩০) গায়বান্ধা জেলার বায়দাখালি এলাকার লালু সমশেরের মেয়ে এবং কনচিপাড়া এলাকার মো. ফিরোজের স্ত্রী।
পরে বৃহস্পতিবার স্বামী ফিরোজ আদালতে স্ত্রীকে মারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন বলে জানান নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন।
জানা যায়, ফিরোজ ও তা স্ত্রী তিন ছেলে সন্তানকে নিয়ে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার পাড়াগ্রাম এলাকায় বাচ্চুর ভাড়া বাসায় থাকে।
বাসার মালিক বাচ্চূ বলেন, আমার বাড়িতে গত দুই মাস যাবৎ তারা ভাড়ায় থাকেন। ইট ভাঙার কাজ করতেন লায়লা ও তার স্বামী ফিরোজ। বুধবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়।
এক পর্যায়ে ফিরোজ লায়লাকে এলোপাথারি মারপিট করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তার স্বামই স্থানীয়দের সহায়তায় লায়লাকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, সংবাদ পেয়ে রাতে হাসপাতাল থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করাসহ তার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।লাশের সুরতহাল শেষে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ও আটককৃত ফিরোজকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহতের ভাই ফিরোজকে একমাত্র আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানানও ওসি মোস্তফা।
ইত্তেফাক/কেকে