যমুনা সার কারখানার গ্যাস কর্তন ও উৎপাদন বন্ধের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে তারাকান্দি ট্রাক মালিক সমিতি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছে সচেতন নাগরিক সমাজ। এরআগে বুধবার দিবাগত রাত ১টায় দিকে হঠাৎ গ্যাস বন্ধ করে দেয় তিতাস কর্তৃপক্ষ।
সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল মোতালেবের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি বেলাল হোসেন, সিবিএ সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান ও আব্দুস ছাত্তার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে ইউরিয়া উৎপাদনকারী ৭টি সারকারখানার মধ্যে জামালপুরে যমুনা সার কারখানা ও সিলেটে শাহজালাল সার কারখানা চালু রয়েছে। এর মধ্যে এশিয়ার বৃহত্তম ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা। আমদানিকৃত সার চট্টগ্রাম বন্দরের বহিরনোঙ্গরে অবস্থান করলেও প্রয়োজনীয় লাইটারের অভাবে সার সরবরাহ কার্যক্রম মন্থর গতিতে চলছে। এই মুর্হুতে যমুনা সারকারখানা বন্ধের সিদ্ধান্তটি আত্মঘাতী হবে।
তারা আরো বলেন, ২৯ ফেব্রুয়ারি কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধের নির্দেশনা পাঠিয়েছে পেট্রোবাংলা। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে হঠাৎ গ্যাস বন্ধ করে দেয় তিতাস কর্তৃপক্ষ। ইরি-বোরোর ভরা মৌসুমে যমুনা সার কারখানা বন্ধ থাকায় সার সংকটের সম্ভবনা রয়েছে। তারা অবিলম্বে সার কারখানা চালুর দাবি জানান।
কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবা সুলতানা বলেন, ভরা মৌসুমে সার প্রয়োজন প্রায় ১লাখ ১০হাজার মেট্রিক টন। মজুত আছে ৬৬ হাজার মোট্রক টন। তাই বিদেশ থেকে অবশিষ্ট সার আমদানি করতে হবে।
ইত্তেফাক/আরকেজি