যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনার টাউনভিল শহরের এলিমেন্টরি স্কুলে পড়ে বছর আটের মেয়ে এভা অলসেন। সে স্কুলেই কিছুদিন আগে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত হয়েছে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু জেকব হল। সবটাই চোখের সামনে ঘটতে দেখে আতঙ্কে শিউরে উঠেছিল সে। তারপর থেকে আর স্কুল যেতে পারেনি এভা।
IMG0
জানা গেছে, মা-বাবা তাকে মনোবিদের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। আপাতত কিছু দিন বাড়িতেই পড়াশোনা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু তাতেও ভয় কাটছিল না এভার। এক বিকেলে রান্নাঘরের টেবিলে খাতা-পেন্সিল নিয়ে চিঠি লিখতে বসে সে। ‘প্রিয় মিস্টার প্রেসিডেন্ট...,’ গোটা গোটা হরফে লিখেছিল, ‘আমি সবটা শুনেছি, সব কিছু দেখেছি। আমার সব চেয়ে প্রিয় বন্ধুর গায়ে গুলি লেগেছিল। ও মারা গিয়েছে। আমার খুব মন খারাপ। আমি ওকে খুব ভালবাসতাম। বন্দুক দেখলে আমার খুব ঘৃণা হয়।’ স্কুলে-স্কুলে বন্দুক হামলা থেকে কীভাবে বাচ্চাদের বাঁচানো যায়, চিঠিতে সে প্রশ্নও তুলেছিল সে।
IMG1
ছোট্ট এভার মর্মস্পর্শী এই চিঠির উত্তর দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজ এর ঠিকানা থেকে পাঠানো সে চিঠিতে ট্রাম্প বলেন, ‘প্রিয় এভা, তোমার চিঠির জন্য অনেক ধন্যবাদ। তুমি খুব সাহসী। তোমার বন্ধু জেকবকে হারানোর কথা শুনে আমি ও মেলানিয়া ট্রাম্প খুব কষ্ট পেয়েছি।’’
IMG2
তবে এভার জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেও অস্ত্র আইন নিয়ে আলাদা করে কোনো উচ্চবাচ্য করেননি ট্রাম্প। বরং তার জবাবে অনেকেই মনে করছেন, দেশবাসীর নিরাপত্তার উপরে জোর দিলেও অস্ত্র আইন বদলাতে নারাজ তিনি। যদিও ছোট্ট এভার কাতর আর্জি ‘প্রেসিডেন্ট, দয়া করে বন্দুক থেকে ছোটদের বাঁচান।’ ওয়াশিংটন পোস্ট।
ইত্তেফাক/সেতু