সুনামগঞ্জ ও ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০

সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের পাগলা মাদ্রাসাপাড়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষে পাঁচজন ও ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস চাপায় মিশুকের চালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ইত্তেফাক প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
 
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের পাগলা মাদ্রাসাপাড়া এলাকায় বুধবার যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- সিলেটের বিমান বন্দর থানার ছাতল ইউনিয়নের আব্দুস শহীদ (৭০), তার স্ত্রী হাসনা ফুল (৬০), সিলেটের টুকের বাজার এলাকার  আয়জুন নেছা ( ৫০) ও আয়েশা বেগম এবং প্রাইভেটকারচালক সুনামগঞ্জ শহরের হাসননগরের এলাকার ছাব্বির হোসেন।
 
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, সিলেট থেকে একটি প্রাইভেটকার সুনামগঞ্জের ভার্ড চক্ষু হাসপাতালে যাচ্ছিল। অপরদিকে সুনামগঞ্জ থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের পাগলা বাজারের মাদ্রাসা পাড়ার কাছাকাছি আসলে প্রাইভেটকার ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রাইভেটকারের চালকসহ চার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে এলাকাবাসী অপর গুরুতর আহত আয়জুন নেছাকে পাগলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর পরই বাসের চালক পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার মো. বরকত উল্লাহ খান। 
 
ভাঙ্গা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস চাপায় মিশুকের চালকসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের ভাঙ্গা বিশ্বরোড মোড় ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— মিশুকের চালক আবুল সেক (৩৫)। তিনি উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের পাচকুল গ্রামের সেকেন সেকের পুত্র। যাত্রী খালেদা বেগম (২৫), তিনি পৌরসদরের চৌধুরীকান্দা গ্রামের সহিদুল ইসলামের স্ত্রী, অজ্ঞাত নারী (৪০), অজ্ঞাত পুরুষ (৫০) ও অজ্ঞাত পুরুষ (৩৫)।
 
হাইওয়ে থানার ওসি মো. এজাজউদ্দিন জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ইমাদ পরিবহন বিপরীত দিক থেকে যাত্রী বোঝাই করে মিশুককে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় মিশুকটি দুমড়ে মুচড়ে চুরমার হয়ে যায়। মিশুকের ভেতরে থাকা তিন যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপর দুই যাত্রীকে স্থানীয় জনতা উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
 
 
ইত্তেফাক/ইউবি