অসময়ে পদ্মা নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। আর এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন পাংশা ও কালুখালী উপজেলার মানুষ। এরই মধ্যে নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে রাস্তা, বসতবাড়ি, গাছ, ফসলি জমি, মসজিদ, মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ভাঙনের কারণে নিঃস্ব হয়েছে হাজার হাজার পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙন ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। নদী ভাঙনের কারণে শহর রক্ষা বাঁধও হুমকিতে পড়েছে। এলাকাবাসী জানায়, ভাঙছে নদী। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নদী খনন। আর নদী খননের কারণে ভাঙনের মাত্রা বেড়েছে। নদী ভাঙনের ফলে ফসলী জমি, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে অনেক পরিবার। সরকারের কাছে এলাকাবাসী নদী খনন বন্ধের দাবি জানিয়েছে। তবে ড্রেজার মাস্টার রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, নদী খনন করার কারণে ভাঙছে না। নদী খনন করার আগে থেকে এখানে ভাঙছে। এখন হয়তো তীব্র স্রোত হওয়ার কারণে ভাঙছে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকাশ কৃষ্ণ সরকার জানান, পদ্মা নদীর ভাঙন তো ভয়াবহ। নদী ভাঙনের ব্যাপারে তদারকি করছি। কালুখালী থেকে পাংশা পর্যন্ত অনেক জায়গায় নদী ভাঙন আছে। কিন্তু এর আংশিক কাজ করলে কোনো ভালো ফল পাওয়া যাবে না। এজন্য দরকার বড় প্রকল্প। আমরা চেষ্টা করছি অন্যান্য বাজেট থেকে ভাঙন রোধে স্থায়ী কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য। তিনি আরও জানান, পদ্মা নদীতে অবৈধ ড্রেজিং করার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের নজরে আসলে ডেজিং বন্ধ করে দেবো।
ইত্তেফাক/নূহু