ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যা: আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১৫ জনের নামে মামলা

 
দিঘলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের বড় ভাই জেলা পরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা সাইফুর রহমান হিলু এ মামলা করেন।
 
এজাহারভূক্ত আসামিরা হলেন— জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক শরীফ মনিরুজ্জামান, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক দিঘলিয়া ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদুজ্জামান, দিঘলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহম্মেদ মাসুম, দিঘলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওহিদুর সরদার, কুমড়ি গ্রামের বদিউর রহমানের ছেলে অস্ত্র ও হত্যাসহ ১০টি মামলার আসামি সোহেল খা, শরীফ বাকী বিল্লাহ,  কুমড়ি গ্রামের বনি শেখ, কটু শেখ, হেদায়েত আলী. খায়ের শেখ, বাবু শেখ, রওশন শেখ, রিপন দত্ত, নজরুল ফকির ও রব মোল্যা।
 
লোহাগড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলা নং-২৫, তাং-১৭/০২/১৮। এজাহারভূক্ত দুই আসামি শরীফ মনিরুজ্জামান ও শরীফ বাকী বিল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে জোর চেষ্টা চলছে।
 
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর  সাড়ে ১২টার দিকে  উপজেলা পরিষদ চত্বরের সেটেলমেন্ট অফিসের সামনে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা লতিফুর রহমান পলাশকে (৪৮) গুলি করে ও কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।  নিহত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মাসুদুজ্জামান এবং সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহম্মেদ মাসুম।
 

ইত্তেফাক/এএম।