আখ চোর হাতি!

 
হাতি সম্পর্কে গল্প, উপন্যাসে একশ বছর বাঁচার কথা বলা হলেও এরা আসলে ৬০-৭০ বছরের বেশি বাঁচে না। কারণ এদের জীবদ্দশায় ছয় বার কষদাঁত বের হয়। এরা সাধারণত বাঁশ, কলাগাছ চিবিয়ে খায়। আর এই ধরনের খাবার খেতে গিয়ে ক্ষয়ে যায় এদের দাঁত। শেষ বার গজানো কষদাঁত ক্ষয়ে গেলে খাদ্যাভাবেই মারা যায় হাতি। বলা যায় বেশি খাওয়ার অভ্যাসের কারণেই এদের করুণ পরিণতি বরণ করতে হয় হাতিদের।
 
মূলত বিশাল দেহের কারণেই এদের বেশি খাদ্যের প্রয়োজন হয়। আর প্রয়োজনীয় খাবার জোগাড় করতে অনেক সময় হাতির দল কৃষকের ফসলের ক্ষেতে হানা দেয়। খাবারের খোঁজে কখনো কখনো রাস্তায় ছিনতাই করতেও নেমে পড়ে হাতি! ভারত এবং থাইল্যান্ডের রাস্তায় প্রায়ই এই ধরনের ছিনতাইয়ের শিকার হন খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করা ট্রাক চালকরা।
 
এদিন থাইল্যান্ডের চাচোয়েঙসাও রাস্তা দিয়ে একটি আখ বোঝাই ট্রাক নিয়ে যাওয়ার সময় একটি ট্রাকের সামনে এসে দাঁড়ায় দৈত্যাকার একটি হাতি। ট্রাক থামিয়েও শুঁড় বাড়িয়ে ট্রাকে থাকা আখ চুরি করতে থাকে হাতিটি। দুই ঘণ্টা ধরে ১২টি ট্রাক থেকে আখ ছিনতাই করে খায় হাতিটি। এরপর পেট ভরে গেলে ফিরে যায় জঙ্গলে। এই হাতিরা খাবারের জন্য মাঝে মধ্যে রাস্তায় ট্রাক থামিয়ে ছিনতাই করলেও কখনোই ট্রাক চালকদের ওপর আক্রমণ করে না। এই রাস্তার ট্রাক চালকরাও বিষয়টির সাথে বেশ ভালোভাবে পরিচিত।-ইউপিআই
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ