“গোষ্ঠী-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গড়ি, সম্প্রীতির খাগড়াছড়ি” এ প্রতিপাদ্যে খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ঠোঁট কাটা ও বার্ন রোগীদের অপারেশন। বৃহস্পতিবার সকালে খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ অডিটরিয়ামে ঠোঁট কাটা ও বার্ন রোগীদের নতুন জীবন ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রত্যয়ে শনাক্তকৃত রোগীদের অপারেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।
খাগড়াছড়ি সেনানিবাসের ৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স, ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিট ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ ও খাগড়াছড়ি সিভিল সার্জন কার্যালয় ও সিএইচটিআরএফের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বার্ন ইউনিটসমূহে জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামান্ত লাল সেনের নেতৃত্বে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারির বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা এ চিকিৎসা সেবায় অংশ নিচ্ছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকার ১১জন ঠোঁট কাটা ও বার্ন রোগীকে অপারেশন করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, বাংলাদেশ বার্ন ইউনিট সমূহের জাতীয় সমন্বয়ক ডাক্তার সামান্ত লাল সেন, খাগড়াছড়ি সেনানিবাসের ৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক লে. কর্নেল শেখ মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আলী আহমেদ খান ও সিএইচটিআরএফের চেয়ারম্যান ও পার্বত্য নিউজের সম্পাদক মেহেদী হাসান পলাশ। মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি জেলার জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী শুধু দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করছে না, দেশের জনকল্যাণেও কাজ করছে। তিনি জাতি-ভেদাভেদ ভুলে মানুষের কল্যাণে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা পরিত্যাগ করতে হবে।
ইত্তেফাক/আরকেজি