২০ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে পাঠদান

সিরাজদিখান উপজেলার গুয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে ২০ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। বর্তমানে ভবনটির পিলার ওয়ালে বড় বড় ফাটল ধরে ইট খসে পড়ছে। পিলার ও ছাদের পলেস্তারা খসে রড বেরিয়ে মরিচা ধরে ক্ষয় হয়ে গেছে, ফ্লোরে বড় বড় গর্ত, জানালা-দরজা ভেঙে পড়েছে, বৃষ্টির পানি ছাদ চুইয়ে ক্লাস রুমে পরে। প্রায় ৫০ বছরের পুরনো বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি ২০ বছর আগেই পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়টি দুরবস্থার চিত্র বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিকবার প্রকাশিতও হয়েছে।

১৯৪০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশাল এলাকার একমাত্র বিদ্যালয়টি এটি। বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ২শ ৫০ জন। কিন্তু বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার কোনো মাঠ নেই। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য একমাত্র রাস্তাটির অবস্থাও অত্যন্ত করুণ।

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সামসুজ্জামান পনির জানান, বিদ্যালয়ের মূল ভবনের দুরবস্থার চিত্র ও নতুন ভবনের জন্য কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। নতুন ভবন, খেলার মাঠ ও যাতায়াত ব্যবস্থার সমাধান হলে পড়ালেখার মান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সিরাজদিখান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, গুয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর তালিকা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা যাবে।

ইত্তেফাক/নূহু