লোহাগাড়ায় শেষ হলো ৩৯তম বিজ্ঞান মেলা

‘মেধাই সম্পদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই ভবিষ্যৎ’ এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় দুই দিনব্যাপী ৩৯তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের আয়োজনে সমাপনী অনুষ্ঠান আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহবুব আলম। উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেবাশীষ আচার্যের উপস্থাপনায় এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের ফাউন্ডার সম্পাদক আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান কলেজের গণিত বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মাদ্রাসা সুপার নুরুল হক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মেহের আফরোজ, অধ্যাপক অরুন কান্তি দাশ, প্রধান শিক্ষক সমাশুদ্দিন, উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ অনুপ কুমার দাশ, প্রচার সম্পাদক দিদারুল আলম ও দপ্তর সম্পাদক জয়নাল আবেদীন প্রমুখ। দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলায় প্রকল্প উপস্থাপন প্রতিযোগিতায় জুনিয়র গ্রুপে সুখছড়ী উচ্চ বিদ্যালয় প্রথম স্থান, লোহাগাড়া সুখছড়ী উজির ভিটা উচ্চ বিদ্যালয় দ্বিতীয় স্থান ও দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।
 
সিনিয়র গ্রুপে বার আউলিয়া বিশ্বদ্যিালয় কলেজ প্রথম স্থান, আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান কলেজ দ্বিতীয় স্থান স্থান অর্জন করেছে। জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় জুনিয়র গ্রুপে চুনতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু ঈসা মো. নাভীদ চৌধুরী প্রথম স্থান, মোস্তফা বেগম গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী উরয়াতুল উছকা ওয়াছি দ্বিতীয় স্থান ও চুনতি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ মিনহাজ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। সিনিয়র গ্রুপে বার আউলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মরজিনা আক্তার প্রথম স্থান, আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান কলেজের মাইনুল ইসলাম দ্বিতীয় স্থান ও বার আউলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জয়রাজ দাশ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। পরে অতিথিবৃন্দ প্রকল্প উপস্থাপন ও জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। 
 
উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, বিজ্ঞান মেলা শুরু হয়। এই মেলায় উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা মিলে ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।  
 
ইত্তেফাক/এমআই