নাগেশ্বরীর ভিতরবন্দ দিগদারী ঝাকুয়াটারী ব্রিজটির রেলিং ও স্লাব ভেঙ্গে যাওয়ায় জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার করছে যাত্রীরা। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারী ভবানীকুড়া বিলের উপর ১৯৯২ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে শুধুমাত্র হালকা যানবাহনসহ মানুষ পারাপারে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। সে সময় নকশার উপড়ে তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়া হয়নি। ফলে ২০০৭ সালে ব্রিজটির রেলিং এর বেশিরভাগ অংশ ও স্লাববের কয়েক জায়গায় ঢালাই ধসে গিয়ে রড বেরিয়ে যায়। সংস্কারের অভাবে প্রতিনিয়ত বেড়ে যাচ্ছে এ ধসে যাওয়া এবং রেলিং এর অবশিষ্ট অংশটুকু আর নেই। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে সংস্কার বিহীন ব্রিজটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। এরপরও বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় বাধ্য হয়েই জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে সাতানা, শিকদারপাড়া, ঝাকুয়াটারী, সরকারপাড়া, পুসকরনীর পাড়, দিগদারীর পাড়, ভবানীপুর, ঝাকুয়াটারীসহ ১৫ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। প্রায়ই ভাঙ্গা অংশে যাত্রীদের পা ঢুকে গুরুতর আহত হচ্ছে অনেকে। একপাশের রেলিং না থাকায় পাশ দিয়ে যেতে অনেক সময় সাইকেল-মোটরসাইকেলসহ চলাচলকারীরা মাঝে মাঝেই ব্রিজের নিচে পড়ে যায়।
ভিতরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম খন্দকার বাচ্চু বলেন, ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো মুহুর্তে তা ভেঙ্গে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী বাদশাহ আলমগীর জানান, এখানে ব্রিজ নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে। আমরা এক বছর পূর্বে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ এ একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এখনও কোনো সাড়া না পাওযায় অন্য একটি ব্রিজ প্রকল্পে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানো হবে।
ইত্তেফাক/কেকে