বিবিসি
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসকে ‘গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র’ হিসেবে ব্যবহার করছিলেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। প্রেসিডেন্ট লেনিন মোরেনো বলেছেন, উইকিলিকসের সহ-প্রতিষ্ঠাতার আশ্রয় বাতিল করার সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো দেশের ইন্ধন নেই। ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য গার্ডিয়ান’কে প্রেসিডেন্ট মোরেনো বলেন, ইকুয়েডরের সাবেক সরকার অন্য রাষ্ট্রের কার্যক্রমে ‘হস্তক্ষেপ’ করার উদ্দেশ্যে তাদের দূতাবাসের ভেতরে সহায়তা প্রদান করত।
অ্যাসাঞ্জের আইনজীবী ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ‘যাচ্ছেতাই অভিযোগ’ আনার অভিযোগ তুলেছেন। ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট মোরেনো দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জের সাত বছরের আশ্রয় বাতিল করার কারণ সম্পর্কে বলেছেন ‘অস্থিতিশীলতা তৈরি করার যে কোনো প্রচেষ্টাই একুয়েডরের জন্য নিন্দনীয়, কারণ আমরা একটি সার্বভৌম দেশ এবং আমরা অন্যান্য দেশের রাজনীতির সম্মান করি। আমরা আমাদের বাড়ি-যেই বাড়ির দরজা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে-সেটিকে গুপ্তচরবৃত্তির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করতে দিতে পারি না।’ প্রেসিডেন্ট মোরেনো ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্যের খারাপ অবস্থা সম্পর্কে সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া পাওলা রোমোর মন্তব্যেরও প্রসঙ্গ টানেন।
০