জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নথি হাইকোর্টে যাবে রবিবার

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডিত তিন আসামি আটক বা আত্মসমর্পণের পরই সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ পাবেন। আইনে এই নির্দেশনাই দেয়া রয়েছে। এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার অর্থদণ্ড স্থগিত করা হয়েছে। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন। এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তার অর্থদণ্ড স্থগিত করে দেয় হাইকোর্ট। উভয় আপিল একইসঙ্গে শুনানি হবে বলে আদালতের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। আপিলে বিচারিক আদালতের দশ বছরের সাজার রায় বাতিল করে বেকসুর খালাস দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন কাজী কামাল।
 
এদিকে রবিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার মূল নথি হাইকোর্টে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বেঞ্চ সহকারী মোকাররম হোসেন। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, সকল প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। ইনশাল্লাহ রবিবার নথি হাইকোর্টে পাঠানো সম্ভব হবে। প্রসঙ্গত নথি প্রাপ্তি সাপেক্ষে খালেদা জিয়ার জামিনের ওপর আদেশ দেবে হাইকোর্ট।
 
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর ও তার পুত্র তারেক রহমানসহ পাঁচজনকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একইসঙ্গে জরিমানা করা হয় দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা। উক্ত অর্থ সম অংকে ভাগ করে প্রত্যেক আসামির কাছ থেকে আদায় করতে বলা হয়।