ট্রাম্প-কিম সমঝোতার সম্ভাবনা কতটুকু

 
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে বৈঠকে বসতে রাজি হওয়ার একদিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সেখানে সমঝোতা হওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। তবে এই আলোচনা থেকে বিশ্ব বিরাট কিছু পেতে পারে আবার একদম কিছুই নাও পেতে পারে।
 
এর আগে হোয়াইট হাউস থেকে বলা হচ্ছিলো, উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নিলে তাদের মধ্যে কোনো বৈঠক হবে না।
 
জানা গেছে, ওয়াশিংটন প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা না করেই ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতার সাথে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টই উত্তর কোরিয়ার নেতার সাথে সাক্ষাত্ করেন নি। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে ট্রাম্পকে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সাথে বৈঠকের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিলো। এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সবাইকে চমকে দিয়েছেন তিনি। 
 
এর আগে ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি স্যারাহ স্যান্ডার্স সাংবাদিকদের বলেন, সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না পাওয়া পর্যন্ত এধরনের কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে না। ট্রাম্প যখন এই ঘোষণা দেন তখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন আফ্রিকা সফর করছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কিমের সাথে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে।
 
ট্রাম্প টুইট করে বলেছেন, আলোচনার সময় উত্তর কোরিয়া পরমাণু পরীক্ষা না চালানোর কথা দিয়েছে এবং তিনি তাদের এই কথাকে বিশ্বাসও করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিনিধি দলের প্রাথমিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী মে মাসের মধ্যেই এই বৈঠক হতে পারে। তবে এখনও আলোচনার দিন তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। তবে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে দুটো জায়গার কথা বলা হচ্ছে- দুই কোরিয়ার সীমান্তে সৈন্যমুক্ত এলাকা অথবা চীনের রাজধানী বেইজিং। তবে বিশ্লেষকরা এ ধরনের বৈঠক হবার সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মত দিয়েছেন। বিবিসি 
 
ইত্তেফাক/আনিসুর