শূন্যস্থান পূরণ কর

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

মিরাজুল ইসলাম, প্রভাষক

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ

 

ব্রিটিশ শাসন

 

১। মোঘল আমলে পর্তুগিজ, ডাচ, ইংরেজ, ফরাসি বিভিন্ন বণিক গোষ্ঠী ব্যবসা করতে ভারতীয় উপমহাদেশে আসে।

 

২। ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা টিকে থাকে।

৩। ভারত ও বৃটেনের মধ্যে বাণিজ্য পরিচালনার জন্য ১৬০০ সালে বৃটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

৪। বাংলার সম্পদের জন্য এই অঞ্চলের প্রতি ইংরেজদের আগ্রহ ছিল।

৫। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা।

৬। সিরাজ- উদ-দ্দৌলা মাত্র ২২ বছর বয়সে বাংলার নবাব হন।

৭। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির যুদ্ধে নবাবের পতন ঘটে।

৮। সেনাবাহিনীর প্রধান মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব পরাজিত হয়।

৯। বাংলায় ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০০ বছর ইংরেজ শাসন চলে।

১০। মোঘলরা বাংলাকে বলত যেকোনো জাতির স্বর্গ।

১১। ১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত ১০০ বছর এদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন চলে।

১২। কোম্পানির প্রথম শাসনকর্তা ছিলেন লর্ড রবার্ট ক্লাইভ।

১৩। ১৮৫৭ সালে কোম্পানির নীতি ও শোষণের বিরুদ্ধে সিপাহীদের মধ্যে অসন্তোষের ফলে সিপাহী বিদ্রোহ সংঘঠিত হয়।

১৪। ১৮৫৮ সালে কোম্পানির শাসন রদ করে বাংলাসহ সমগ্র ভারতের শাসনভাগ বৃটিশ রানি নিজ হাতে তুলে নেন।

ভাগ কর শাসন কর নীতির ফলে এদেশের মানুষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

১৫।  ১১৭৬ বাংলা ১৭৭০ ইংরেজি সালে বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল।

১৬। বৃটিশ শাসনামলে অল্পসংখ্যক জমিদার অনেক জমির মালিক হন।

১৭। বৃটিশ শাসন আমলে শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে ১৯ শতকে নবজাগরণ ঘটে।

১৮। বৃটিশ শাসনামলে বাংলায় সড়কপথ, রেলপথ উন্নয়ন এবং টেলিগ্রাফের প্রচলন হয়।

১৯। ১৮১৬ সালে কলকাতায় হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

২০। ১৮  শতকের শেষ থেকে ১৯ শতক জুড়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে অনেক বিদ্রোহ সংগঠিত হয়।

২১। তিতুমীর ছিলেন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের একজন বিখ্যাত নেতা।

২২। তিতুমীর ইংরেজ বাহিনীকে প্রতিহত করার জন্য বারাসাতের কাছে নারকেলবাড়িয়া গ্রামে ১টি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।

২৩। পশ্চিম বাংলার ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডের নেতৃত্বে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়।

২৪। কামান ও বন্দুকের কার্তুজ পিচ্ছিল করার জন্য গরু ও শুকরের চর্বি ব্যবহার করা হয়।

২৫। ভারতের শাসনভার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে মহারানি ভিক্টোরিয়ার হাতে চলে যায়।

২৩। ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে ১৮৫৭ সালে বিদ্রোহী বাঙালি সিপাহিদের ফাঁসি দেয়া হয়েছিল।