শরীর নিয়ে বিদ্যার ক্ষোভ

নিজেকে কখনোই পুরুষ বিদ্বেষী ভাবেন না। তবে তিনি ফেমিনিস্ট। মহিলারাও মানুষ। আর পাঁচজন পুরুষের মতো তাদেরও নিজেদের মতো করে জীবনযাপন করার অধিকার আছে বলে মানেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। বিভিন্ন সময় নানা বাজে সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। এমনও হয়েছে আত্মবিশ্বাসের জায়গাটিও হারাতে বসেছিলেন। বললেন, ‘আমার জীবনের একটা অংশজুড়ে এসব ছিল, নিজের শরীর নিয়ে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে।’

চরিত্রের প্রয়োজনে যে মিস্টি মেয়েটিও সাহসী ও স্বল্প বসনা হতে পারেন তা দ্য ডার্টি পিকচার ছবিতে দেখিয়েছিলেন বিদ্যা। তার মতে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে লজ্জা-শরম রাখা যাবে না। মনের মাঝে শঙ্কা রাখা যাবে না। হতে হবে ভয়-ডরহীন। সবসময় ফুরফুরে থাকতে হবে। বিদ্যা বলেন, ‘খুব রাগ হতো, ঘৃণা হতো। আমি চেয়েছিলাম শরীর বদলে দিতে। ভেবেছিলাম, যদি শরীর বদলাতে পারি, তবে হয়তো সবাই আমাকে গ্রহণ করবে। ভালোবাসা সিক্ত হবো। কিন্তু প্রচুর ওজন কমানোর পরেও, পাতলা হওয়ার পরেও (কয়েকবার ঘটেছে এমন) বুঝেছি, সবাই আমাক পুরোপুরি গ্রহণ করেনি। তো সত্যি কথা হলো, অন্যকে তুষ্ট করার জন্য নিজের শরীর বদলানোর চেষ্টা বৃথা।’

বিদ্যা বালান আরো বলেন, ‘অবাক লাগে, মানুষ শরীর নিয়ে এত কথা বলে কেন। কোথাও যাবেন তো দেখবেন এসব আলাপই হচ্ছে। ওহ! তুমি ওজন কমিয়েছো, তোমার ওজন বেড়ে গেছে, কী ডায়েট চলছে, কী এক্সারসাইজ করো? এসব বিরক্তিকর, খুবই সংকীর্ণ। সত্যি করে বলছি, এসব শুনতে একদমই ভালো লাগে না। মনে হয়, খুব সহজেই মানুষ শরীর নিয়ে কথা বলতে পারে, অন্যের শরীর বিচার করে, মন্তব্য করে, কারণ তা দৃশ্যমান।’

মিশন মঙ্গল চলচ্চিত্রে অক্ষয়ের সহ-অভিনেত্রী হিসেবে দেখা যাবে বিদ্যা বালানকে। এছাড়া অজিত কুমারের বিপরীতে তামিল থ্রিলার নেরকোন্ডা পারভাই ছবিতে থাকছেন তিনি।