রাজশাহীর পুটিয়ায় ধানের জমি কেটে পুকুর খনন করা হচ্ছে। এই পুকুর খননে হাই কোর্টও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালী মত্স্য ব্যবসায়ীরা নিজের ক্ষমতায় পুকুর আবার খনন করছে। কেউ তাদের থামাতে পারছে না। তবে প্রশাসন নীরব কেন? আনুমানিক ২০টি পুকুর খননের কাজ চলছে। পত্রিকা থেকে হাই কোর্টের রিটের সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর চারটি উপজেলায় কৃষিজমি নষ্ট করে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট। একটি মানবাধিকার সংগঠনের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ মার্চ শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। হাই কোর্ট, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি, পবা, মোহনপুর ও পুঠিয়া উপজেলায় অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে কেউ যেন ফসলি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করতে না পারে সেজন্য নিয়মিত তদারকি করারও নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! বলা যায় গায়ের জোরেই ফসলি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করা হচ্ছে।
বেশিরভাগ খননকৃত পুকুর ধান চাষের উপযোগী এবং বিভিন্ন বিলের নিচু জমি। অনেক স্থানে বর্ষা মৌসুমে বিলের পানি প্রবাহের গতিপথে পুকুরের বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই ফসলি জমিগুলো রক্ষা করা দরকার। এজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শতাব্দী জুবায়ের
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়