পূর্ব ঘোষিত সময়েই বেসিস নির্বাচন হবে : বেসিস সভাপতি

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) পরিচালনা পর্ষদের ২০১৮-২০ মেয়াদের নির্বাচন আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকেলেও তা স্থগিত করতে নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 
 
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবা স্বাক্ষরিত চিঠিতে লেখা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর যে বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) হওয়ার কথা ছিল সেটা শেষ করে এবং এখন পর্যন্ত বেসিস যেসব বিষয় সংশোধন না করে ঝুলিয়ে রেখেছে সেগুলো সংশোধন করে পুনরায় তফশিল করে নির্বাচন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়। একই আদেশে বর্তমান কমিটিকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সময় দেয়া হয়েছে। আর মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে ৬ মাস। 
 
এ বিষয়ে বেসিস এক্সিকিউটিভ কমিটি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় একটি জরুরি সভার আয়োজন করে। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসিস এর নির্বাচন কমিশনার ও আইন বিশেষজ্ঞরা। 
 
সভা শেষে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির বেসিস মেম্বারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘২১ মার্চ ১১ জন বেসিস মেম্বার নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। একদিন পরেই বেসিস এর সঙ্গে কোন যোগাযোগ না করে ডিটিও নির্বাচন স্থগিতের চিঠি দেয়, যা আজ ২৭ মার্চ লোক মারফত আমাদের অফিসে পৌঁছায়। নির্বাচন স্থগিত করার ইখতিয়ার ডিটিও’র আছে কি-না তা আমরা খতিয়ে দেখবো। আজ রাতের মধ্যেই ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি মন্ত্রী, বণিজ্যমন্ত্রী ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে আমরা কথা বলবো। এতে যদি নির্দিষ্ট তারিখে নির্বাচন না করা যায় তাহলে এ বিষয়ে আগামীকাল আমরা আদালতে যাবো ডিটিও’র চিঠির স্থগিত আদেশ চেয়ে। আশা করছি আমরা পূর্ব নির্ধারিত তারিখেই বেসিস নির্বাচন করতে পারবো।’ 
 
সভায় আরো বক্তব্য দেন দোহা টেক নিউ মিডিয়া এর লুনা সামসুদ্দোহা, ফ্লোরা টেলিকমের মোস্তফা রফিকুল ইসলাম ডিউক, নির্বাচন কমিশনার এস এম কামাল, ই-জেনারেশনের শামীম আহসান এবং বেসিস এর জেষ্ঠ্য সহ-সভাপতি রাসেল টি আহম্মেদ। সভায় সবাই একবাক্যে যে ১১ জন মেম্বার উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য আবেদন করেছে তাদেরকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান। এ ছাড়া সদস্যরা ১১ প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বেসিস নির্বাহী কমিটির কাছে জোর দাবি জানান। 
 
তারা বলেন, আইসিটি শিল্প এখন দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। বেসিস ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সবচেয়ে অগ্রসরমান সংগঠন। এই সংগঠনের ১১০০ সদস্যদের মধ্যে ১১ জন এই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তার সবাই এ বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সঠিক সময়ে নির্বাচন করার সহায়তা চান।     
 
ইত্তেফাক/ইউবি