ভাঙা রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে ১২ গ্রামের মানুষের চলাচল

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে এলজিইডি’র ভাঙা রাস্তা দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ১২ গ্রামের মানুষ। উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কাপালীপাড়া নয়াবাজারের পাশে ৮ মাস পূর্বে রাস্তাটি ভেঙে গেলেও এর কোনো সংস্কার করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে গ্রামবাসী। রাস্তাটি দিয়ে উপজেলার নটাখোলা, পাটগ্রাম, শিলমপুর, বাধরপুর, ডেগিরচর, ভাটিপাড়া, মানিকনগর, গোপীনাথপুরসহ ১২ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে।

হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা বাজার থেকে গোপীনাথপুরের এই পাকা রাস্তা হয়ে সাধারণ মানুষ বাহাদুর বাজার পর্যন্ত অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেল, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও মিনিবাসে চলাচল করতে পারতো। কিন্তু রাস্তাটি মারাত্মকভাবে ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে রিকশা, অটোরিকশা, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলে যাতায়াত করছে।

স্থানীয়রা জানায়, গত আশ্বিন মাসে গোপীনাথপুরের খাল খনন করা হয়। পরে বর্ষায় গোপীনাথপুরের পদ্মার বাঁধ ভেঙে যায়। এ সময় পানির প্রবল চাপে গোপীনাথপুরের কাপালীপাড়ার নয়াবাজারের পাশের রাস্তাটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে রাস্তাটির অধিকাংশই ভেঙে যায়। ৮ মাস হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মেরামত বা সংস্কার করেনি। প্রতিদিন স্কুল, কলেজ ও সাধারণ মানুষের রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

গোপীনাথপুরের বাসিন্দা আব্দুল জলিল জানান, কিছুদিন আগেও এ ভাঙা স্থানে দুর্ঘটনায় কয়েকজন পথচারী মারাত্মক আহত হয়েছেন। স্থানীয় সঞ্চয় সরকার বলেন, ৮ মাস যাবত্ রাস্তাটি ভাঙা থাকলেও এর সংস্কার করা হয়নি। তিনি বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ রাস্তাটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। মাঝে মাঝে রিকশা, অটোরিকশা উল্টে যাচ্ছে। লোকজন আহত হচ্ছে।

গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস মোবাইল ফোনে জানান, খাল খনন ও পদ্মার বাঁধ ভেঙে যাওয়ার কারণে খালের উভয় পাশে পানির প্রবল চাপ পড়ে এলজিইডি’র পাকা রাস্তাটির অধিকাংশ ভেঙে যায়। বিষয়টি উপজেলা সমন্বয় সভায় জানানো হয়েছে। ফান্ড নেই বলে এখন সংস্কার কাজ হচ্ছে না। এ ব্যাপারে হরিরামপুর এলজিইডি’র  প্রকৌশলী মোকলেছুর রহমান জানান, রাস্তাটির বিষয়ে আমি কোনো তথ্য জানি না। খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে।