প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্টিক্ষেত্রে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সামাজিক কুসংস্কার, অজ্ঞতা ও অসচেতনতা আমাদের দেশে পুষ্টিক্ষেত্রে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের একটি বড় বাধা। এই বাধা অতিক্রম করার জন্য পরিকল্পিত, সমন্বিত ও সুসংহত কার্যক্রমের বিকল্প নেই।’
শেখ হাসিনা ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৮’ উপলক্ষে আজ রবিবার এক বাণীতে এ কথা বলেন। প্রতি বছরের মতো এবারও আগামীকাল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০১৮’ পালন করা হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘খাদ্যের কথা ভাবলে পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলেও তিনি বাণীতে উল্লেখ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের বিষয়টিকে মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি প্রদান করেন। প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে তিনি ১৯৭৪ সালে ‘জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে ১৯৭৫ সালের ২৩ এপ্রিল তিনি ‘বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ’ গঠনের আদেশে স্বাক্ষর করেন। বাসস।
ইত্তেফাক/এমআই