বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক
সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় গত বছরের চেয়ে এ বছর আগে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। মাঠের ধান সোনালি রং ধারণ করেছে। বোরো রোপণ করতে সার, কীটনাশক ইত্যাদি মিলিয়ে উত্পাদন খরচ ছিল কৃষকের সামর্থ্যের মধ্যে। বোরো ধান রোপণ থেকে শুরু করে ধান পাকা পর্যন্ত ক্ষেতে প্রাকৃতিক পানিই বেশি ছিল। বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় উত্পাদন খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখায় স্বস্তিতে কৃষক।
সাতকানিয়া ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকায় বোরো রোপণের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৫০০ হেক্টর। এর মধ্যে হা্ইব্রিড ২০০০ হেক্টর ও উপসী-৪৫০০ হেক্টর। সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সাতকানিয়ার ১টি পৌরসভা ও ১৭ ইউনিয়নের ধানি বিলে শুধু পাকা সোনালি ধান দখিনা বাতাসে দোল খাচ্ছে।
উপজেলার সোনাকানিয়ার গারাংগিয়া গ্রামের বোরো চাষী আবুল হাশেম, হাতিয়ারকুলের কৃষক সমশুল আলম, ডিলার পাড়ার জসিম উদ্দিন জানান, তাদের রোপিত বোরো ধানের ক্ষেতের সব ধান পেকে গেছে। দক্ষিণ হাতিয়ার কূলের কৃষক মোহাম্মদ ইউনুছ, জিয়াবুল জানান, এ বছর মাঠে রোগ বালাই কম ও ফলন হয়েছে বেশি। মাঠে ধান কাটতে যাওয়া জসিম উদ্দিন জানান, ধান রোপণ করার সময় মুজুরি খরচ, সার, কীটনাশক, আগাছা পরিষ্কার ও ধান কাটাসহ খরচ যা হয়েছে উত্পাদিত ধান বিক্রি করে খরচ উঠে আরও লাভবান হবেন।
সাতকানিয়া উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম জহির জানান, এখন ধানের পাকা অবস্থা বিরাজমান। যে সমস্ত কৃষক উপজেলার মাঠ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে বোরো ধান রোপণ করেছেন তাহাদের ফলন আশা করি চাহিদার চেয়ে আরও কয়েকগুণ বেশি ফলন হবে। ধানের বাজার মূল্য বেশি হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি জানান, আগের চেয়ে বর্তমানে ধানের বাজারদর বেশি।
তিনি আরো জানান, এবছর ক্ষেতে প্রাকৃতিক পানি বেশি ছিল বিধায় ফলন বেশি।