১৯৪৫কোরিয়ায় জাপানের দখলদারিত্বের অবসান ঘটায় মিত্র বাহিনী। তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র যথাক্রমে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া দখলে নেয়।
১৯৪৮ দুই কোরিয়ায় পৃথকভাবে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৫০ সালে উত্তর কোরিয়ার সেনারা দক্ষিণে আগ্রাসন চালায় এবং দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে মার্কিন ও চীনা সেনারা হস্তক্ষেপ করে কোরীয় যুদ্ধের নেতৃত্বে চলে আসে।
১৯৫৩ সালে যুদ্ধ বিরতির মাধ্যমে সংঘাত বন্ধ হয়। তবে টেকনিক্যালি দুই দেশ এখনো যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে। সে সময় সংঘাত কমাতে সেনামুক্ত অঞ্চল গঠন করা হয়।
১৯৬১ সালে চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে পারস্পারিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে উত্তর কোরিয়া।
১৯৭৪ সালে একজন উত্তর কোরীয় সমর্থক দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক চুং-হি কে হত্যার চেষ্টা চালায়। এতে ফার্স্ট লেডি নিহত হন।
১৯৮৩ সালে তত্কালীন দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট চুন দু-হনকে বার্মায় উত্তর কোরীয় বোমা হামলাকারী হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই ঘটনায় ২১ জন নিহত হয়।
১৯৮৭ সালে উত্তর কোরীয় এজেন্টরা বোমা হামলা চালিয়ে কোরিয়ান এয়ার ফ্লাইট ৮৫৮ বিধস্ত করে। এতে ১১৫ জন নিহত হয়।
১৯৯৪ সালে উত্তর কোরীয় নেতা কিম ইল সাং হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তখন উত্তর কোরিয়া অস্থিরতা শুরু হয়।
১৯৯৭ সালে কিম জং ইল ক্ষমতা সুসংহত করেন। তিনি তার পিতার পদ গ্রহণ করেন।
১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে-জাং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ‘সানশাইন’ নীতি গ্রহণ করেন।
২০০০ সালে একটি আন্তঃকোরীয় সম্মেলন হয়। যেখানে ১৯৪৮ সালের পর দুই কোরিয়ার শীর্ষ নেতারা আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হন।
২০০৬ সালে উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো তাদের পরমাণু অস্ত্রের সফল পরীক্ষার কথা জানায়।
২০১০ সালে টর্পেডো দিয়ে একটি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করে দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া হামলার কথা অস্বীকার করে দক্ষিণের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
২০১৭ সালে উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো তাদের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়।
২০১৮ সালে দক্ষিণ শীতকালীন অলিম্পিক যৌথ পতাকা নিয়ে মার্চে অংশে নেয় দুই কোরিয়া।
২০১৮ সালের ২৭ মার্চ দুই কোরিয়া জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের অবসানে তারা সম্মত হয়েছে।
ইত্তেফাক/রেজা