দুবাই রাজকন্যার পলায়ন নাটক, বিতর্কে মোদী

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক মোহামেদ বিন রশিদ আল মাখতুমের এক কন্যা লতিফা সাগরপথে দেশ ছেড়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছেন, এই খবর বেশ কিছুদিন ধরেই ইউরোপ আমেরিকার বিভিন্ন সংবাদ পত্রে ছাপা হচ্ছে।
 
জানা যায়, প্রিন্সেস লতিফা তার এক বান্ধবী, যিনি ফিনল্যান্ডের নাগরিক এবং ফরাসি একজন সাবেক গোয়েন্দার সহযোগিতায় একটি প্রমোদ তরী ভাড়া করে গোপনে ভারতে রওয়ানা হয়েছিলেন। সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু গোয়ার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভারতের ন্যাভাল কমান্ডোরা প্রমোদ তরীটি আটক করে প্রিন্সেস লতিফাসহ অন্য দুজনকে দুবাই কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়। ভারতের মিডিয়ায়ও এই খবর প্রকাশিত হয়। ভারত সরকার বা ভারতীয় নৌবাহিনী অবশ্য এ নিয়ে মুখ খোলেনি।
 
ঘটনার দুমাসের পর এ সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী নিজে দুবাইয়ের রাজকন্যাকে ধরে দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার সেই অভিযানের অনুমতি দিয়েছিলেন। এরপর ব্রিটিশ দৈনিক টেলিগ্রাফ মঙ্গলবার তাদের এক খবরে একই দাবি করেছে।
 
দেশ ছেড়ে পালানোর কারণ হিসেবে প্রিন্সেস লতিফা ভিডিওতে বলেছেন, তার বাবার আচরণ এবং পারিবারের রক্ষণশীল পরিবেশ তার একদমই ভালো লাগতো না। তিনি দাবি করেন, তার এক বড় বোন শামসাও একই কারণে বিদেশে পালিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু পরে তাকে ধরে এনে নির্যাতন করা হচ্ছে।-বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ