সিআইএ প্রধান হিসেবে ট্রাম্পের মনোনীত প্রার্থী জিনা হাসপেল তার মনোনয়ন বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। শুক্রবার এক বৈঠকে হোয়াইট হাউজের কয়েকজন কর্মকর্তা তার নির্বাচিত হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করার পরই এমন প্রস্তাব দেন হাসপেল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে মনোনয়ন প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন হাসপেল। এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
দুই সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, সিআইএ’র বিতর্কিত কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতির সঙ্গে হাসপেল’র জড়িত থাকার ইতিহাস নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন রয়েছে হোয়াইট হাউজ। তবে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছে, তাদের বিশ্বাস তিনি নির্বাচিত হবেন।
শুক্রবার হাসপেলের সঙ্গে কথা বলতে ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত সিআইএর সদরদপ্তরে যান হোয়াইট হাউজের আইন প্রণয়ন বিষয়ক পরিচালক মার্ক শর্ট ও প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে । এখন পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেননি হাসপেল।
বুধবার সিনেটের মুখোমুখি হবেন হাসপেল। রিপাবলিকানদের সমর্থন হারালে তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যেতে পারে। সিনেটে ১০০ আসনের মধ্যে রিপাবলিকানদের দখলে আছে ৫১টি। তাই যেকোনো একটি ভোটই অনেক পরিবর্তন এনে দিতে পারে। সূত্র জানিয়েছে, সিনেটে শুনানি দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন হাসপেল।
হাসপেলের মনোনয়ন বাতিল করার প্রস্তাবের বিষয়টি প্রথম প্রকাশ পায় ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে। পোস্টের প্রতিবেদনে লেখা হয়, ৩৩ বছর বয়সী এই ঝানু সিআইএ কর্মকর্তাকে সংস্থাটির জিজ্ঞাসাবাদ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন করতে তলব করেছিল হোয়াইট হাউজ।
পত্রিকাটি জানিয়েছে, ট্রাম্প পুরো ব্যাপারটি সম্পর্কে জানার পর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ নিয়ে ফোনে কথা বলেন। প্রথমদিকে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সিদ্ধান্ত যাই হোকনা কেন তিনি মেনে নিবেন। কিন্তু পরবর্তীতে হাসপেলকে তার মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাখার দিকেই জোর দেন প্রেসিডেন্ট। শনিবারের মধ্যে হাসপেল তার মনোনয়ন বাতিল না করার সিদ্ধান্তে সম্মত হন।
ইত্তেফাক/জেআর