আসামি ছাড়াতে গোপালদী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের ওপর ছাত্রলীগ নেতার হামলা

আড়াইহাজারে আসামিকে ছিনিয়ে নিতে বুধবার দুপুরে গোপালদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ টি এস আই মামুনের ওপর হামলা চালান গোপালদী পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজয় সাহা। এতে তাকেও আটক করে পুলিশ। পরে ছাত্র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে আটকদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।

জানা গেছে, বুধবার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রদী গ্রামের জামালউদ্দিনের ছেলে দিদার ইসলামকে গোপালদী বাজারের কলেজ রোড থেকে সন্দেহবশত আটক করে পুলিশ। তার  আটকের খবর জানতে পেরে গোপালদী  পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজয় সাহা দিদারকে ছাড়িয়ে আনতে তদন্ত কেন্দ্রে যান। এ সময় পুলিশ তাকে ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে সুজয় পুলিশকে গালি গালাজ করেন। এ টি এস আই মামুন এর প্রতিবাদ করলে সুজয় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর শুরু করেন। মামুনকে রক্ষা করতে কনস্টেবল ইমরান ও বাশার এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুজয়কে আটক করে। গোপালদী পৌরসভা ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল আহমেদ আপন বলেন, দিদার এইচএসসি পরীক্ষার্থী। কোনো কারণ ছাড়াই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। তাকে ছাড়িয়ে আনতে তদন্ত কেন্দ্রে গেলে পুলিশ সুজয়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। আড়াইহাজার থানার ওসি আক্তার হোসেন জানান, এই ঘটনায় গোপালদী পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ফয়সাল আহমেদ আপনসহ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে আলোচনা করে ভুলবুঝাবুঝির অবসান  হয়েছে। এরপর আটকদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।