রাজধানীর বাড্ডার আফতাব নগর এলাকায় ডিবি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাফায়েত (৩০) নামের একজন নিহত হন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় দুইজনকে অাটক করেছে। তাদের কাছ থেকে দুইটি অাগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত সাফায়েত বুধবার রাতে বাড্ডা জাগরনী ক্লাবের ভেতর ঢুকে ডিশ ব্যবসায়ী অাব্দুর রাজ্জাক ওরফে ডিশ বাবুকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ওই সময় গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড্ডা অালাতুন নেসা স্কুল গলিতে জনতা ধাওয়া করে অস্ত্রসহ তিনজনকে অাটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ঘটনার রাতেই ওই ৩ জনকে অাটকের কথা পুলিশের পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়।
ডিবির উত্তর বিভাগ জানায়, অাজ বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টায় বাড্ডার অাফতাবনগর বালুর মাঠে হত্যার ঘটনার অাসামি ধরতে গেলে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোঁড়ে। পুলিশ গুলি ছুঁড়লে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়েন। বাকিরা পালিয়ে যান। নিহত যুবকের নাম সাফায়েত (৩০)।
বুধবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডার জাগরনী ক্লাবে আবদুর রাজ্জাক বাবু ওরফে ডিশ বাবু (৩০) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড তাত্ক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সাম্প্রতিক রাজধানীর বাড্ডা এলাকার খুনোখুনি বেড়ে গেছে। গত ২২ এপ্রিল বাড্ডার বেরাইদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের জাহাঙ্গীর আলমের ছোট ভাই কামরুজ্জামান দুখুকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাগ্নে ফারুক আহমেদের গ্রুপ প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। এর আগে ২০১৪ সালের ৩ মে বাড্ডা জাগরনী ক্লাবের ভেতর বাড্ডা থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন রাহিনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। বুধবার রাতের এই হত্যাকাণ্ড ডিশ ব্যবসার চাঁদার টাকা ভাগ বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ মেহেদী-ডালিম-রবিন গ্রুপের পক্ষ থেকে ঘটতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
ইত্তেফাক/কেকে