চিকিৎসা নিয়ে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফেরার পথে কুড়িল বিশ্বরোডে ট্রেনের ধাক্কায় ফিরোজা বেগমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার মেয়ে নাজমা বেগম আহত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার রেললাইন পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ফিরোজা। শেষ মুহুর্তে লাফ দিয়ে সরে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পান নাজমা।
আহত নাজমা বেগম সাংবাদিকদের জানান, রূপগঞ্জের গুতিয়াবো গ্রামে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন ৬১ বছর বয়সী ফিরোজা। দুপুরে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন তারা। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তারা দুজন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় হেঁটে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ওপারে গিয়ে রূপগঞ্জের কাঞ্চনে যাওয়ার গাড়িতে ওঠার কথা ছিল। তখন হঠাৎ কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন দেখতে পেয়ে তিনি লাফ দিয়ে সরে যান। তবে তার মা সরে যেতে না পারায় ট্রেনের ধাক্কায় মারা যান। পাথরের ওপর পড়ে নাজমাও সামান্য আহত হয়েছেন।
স্থানীয় চা বিক্রেতা বাবুল জানান, নাজমা ফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন ধরে হাটছিলেন। তার পেছনে ছিলেন ফিরোজা। এ সময় ট্রেন আসতে দেখে আশেপাশের লোকজন তাদের সতর্ক করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু তারা কিছুটা দেরিতে শোনেন। ততক্ষণে ট্রেন খুব কাছাকাছি এসে পড়ে। তখন নাজমা লাফ দিলেও ফিরোজা সে সুযোগ পাননি। ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ছিটকে পড়েন। ট্রেন চলে যাওয়ার পর সবাই ছুটে যান। তবে হাসপাতালে নেয়ার আগেই ফিরোজার মৃত্যু হয়। পরে একটি অটোরিকশায় মায়ের লাশ নিয়ে গ্রামের উদ্দেশে যান নাজমা।
ইত্তেফাক/ইউবি