ভাণ্ডারিয়ায় ডায়রিয়ার প্রকোপ, বেড সংকট হাসপাতালে

ভাণ্ডারিয়ায় ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে গত ১৫ দিন ধরে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর ভিড় বেড়ে চলেছে হাসপাতালে। এতে হাসপাতালের বারান্দায়ও বেড পাচ্ছেন না রোগীরা।

ভাণ্ডারিয়া হাসপাতালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ভাণ্ডারিয়া হাসাপাতালের পুরুষ-মহিলা ওয়ার্ড ছাড়াও হাসপাতালের বারান্দায়ও বিভিন্ন বয়সী রোগীরা বেড পাচ্ছেন না। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য প. প. কর্মকর্তাদের পাওয়া না গেলেও আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার, কর্তব্যরত  চিকিত্সক রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছেন এবং কর্তব্যরত সেবিকারা রোগীদের সেবা দানে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।          

এ বিষয়ে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. বেল্লাল হোসেনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, গত ১৫দিন ধরে একটানা রোগীর ভিড় বেড়েই চলেছে। এ উপজেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে শিশু, কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী রোগী আসছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এভাবে চলতে থাকলে আমাদের হাসপাতালে স্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ যা আছে তা দিয়ে বেশী হলে ১০/১২দিন চালানো যেতে পারে। যদিও পাঁচ হাজার স্যালাইনের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের পূর্বের রেকর্ড অনুযায়ী যে চাহিদাপত্র পাঠানো হয় সে পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যায়না।

উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা মো. জহিরুল আলম ফোনে জানান, তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এখন পর্যন্ত যা ওষুধ আছে তা দিয়ে আর কিছু দিন চালানো যেতে পারে। এদিকে হাসপাতালে দরিদ্র রোগীর সংখ্যাই বেশি। আর যারা আর্থিকভাবে একটু স্বচ্ছল তারা এ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে কেউ কেউ প্রাইভেট ক্লিনিক বা বরিশাল, খুলনা ছাড়াও অন্যান্য স্থানে চিকিত্সা নেওয়ার জন্য ছুটাছুটি করছে।