দিন দশেক আগে মহারাষ্ট্রের লাতুরে একটি জনসভায় নতুন ভোটারদের উদ্দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেছিলেন তারা যেন বালাকোট অভিযানের কথা মাথায় রেখে ভোট দেন। নির্বাচনী প্রচারে বালাকোটে ভারতীয় বিমান অভিযানের কথা উল্লেখ করে তিনি তরুণদের কাছে ভোট চেয়েছিলেন। মোদি ওই আবেদন জানিয়েছিলেন লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ার আগে। বালাকোটে অভিযানের কথা বলে ভোট চেয়ে তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কি না, তা নিয়ে দ্বিতীয় পর্বের ভোটগ্রহণের পরেও সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি কমিশন।
সশস্ত্র বাহিনীর নাম করে প্রধানমন্ত্রী ভোট চেয়েছেন, এই অভিযোগ তুলে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধীরা। ঘটনার পরে লাতুরের নির্বাচনী কর্মকর্তাকে একটি রিপোর্ট পাঠান দিল্লিতে। কমিশন সূত্রের খবর, ওই কর্মকর্তা তার রিপোর্টে জানান, প্রধানমন্ত্রী ওই কথা বলে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে, তাই শুরু থেকে সাবধানে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ‘সম্প্র্রতি যোগী আদিত্যনাথ ও মায়াবতীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় কমিশন। তখনো বিরোধীরা প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রীর বালাকোট-মন্তব্য নিয়ে কমিশন এখনো নীরব কেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার
বিষয়টি পাঠানো হয় কমিশনের আচরণবিধি সংক্রান্ত কমিটির কাছে। কিন্তু ঘটনার দশদিন পরেও কেন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি, তা নিয়ে এখনো কোনো উত্তর দিতে পারেননি কমিশনের কর্মকর্তারা। যদিও কমিশনের একটি সূত্র দাবি করেছে, সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। ওই প্রসঙ্গে গতকাল উপনির্বাচন কমিশনার চন্দ্র ভূষণ কুমার বলেন, ‘মহারাষ্ট্র থেকে রিপোর্ট এসে গিয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’