ভারতের বিতর্কিত ইসলামি চিন্তাবিদ জাকির নায়েক মালয়েশিয়াতে স্থানীয় আইন ভঙ্গের জন্য আইনের মুখোমুখি হতে পারেন। তার বক্তব্য ইসলামি জঙ্গিবাদকে উৎসাহিত করে এমন অভিযোগে অনেক দেশ তাকে নিষিদ্ধ করেছে। বাংলাদেশেও তিনি একই অভিযোগে নিষিদ্ধ।
ঢাকায় হলি আর্টিজানে হামলার পর বাংলাদেশ সরকার দেশটিতে উগ্রবাদ প্রচারে জাকির নায়েকের বক্তব্য দায়ি বলে মন্তব্য করে। এই হামলার আগেও বাংলাদেশে ভিসা চেয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন নায়েক। বাংলাদেশ মনে করে তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামির সখ্যতা আছে। তিনি মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেয়ার পর বিভিন্ন দেশ থেকে কুয়ালালামপুরের উপর চাপ সৃষ্টি হয়।
গত ৩১ মে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কুয়ালালামপুর সফরের পর জাকির নায়েকের ভাগ্য নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়। ইতিমধ্যে মালয়েশীয় সরকার তাকে সতর্ক করে বলেছে, মালয়েশিয়ার আইন ভঙ্গ করলে অবশ্যই আইনের মুখোমুখি হতে হবে। ফলে আগের মতো মুক্তভাবে বক্তৃতা বিবৃতি দেয়ার সুযোগ আর থাকছে না নায়েকের হাতে।
নানা অভিযোগ ওঠার পর জাকির নায়েক ২০১৬ সালের ১৩ মে ভারত ছাড়েন। তারপর আর ফিরে আসেননি। জাকির নায়েকের মালয়েশিয়া থেকে ভারতে ফেরা নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বুধবার কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া সরকারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, জাকির নায়েক মালয়েশিয়া থেকে ভারতে ফিরছেন। তবে এই খবর প্রত্যাখ্যান করে জাকির নায়েক বলেছেন, ‘এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।’
ইত্তেফাক/ জেআর